সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রোমেরো বলেন, ফাইনালে অস্বাভাবিক কিছু ঘটেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন নানা দাবি ছড়িয়ে পড়লেও সেগুলো নিয়ে ভাবতে চান না তাঁরা।

রোমেরোর ভাষায়, ‘ফাইনালে কিছুই ঘটেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এমন একটি জায়গা, যেখানে কেউ কিছু লিখলেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। স্পেন ভালো খেলেছে, আর আমরা কোনোমতে টিকে ছিলাম। পুরো বিশ্বকাপই শারীরিকভাবে আমাদের জন্য কঠিন ছিল। আমাদের অনেকেই পুরোপুরি ফিট ছিলাম না।’

বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনা দলের একাধিক খেলোয়াড় চোটের সমস্যায় ভুগেছেন বলে জানান রোমেরো। সতীর্থদের শারীরিক সমস্যার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, লিয়ান্দ্রো পারেদেসের পাঁজরের হাড় ভাঙা ছিল। লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও নাহুয়েল মলিনাও চোটে ভুগেছেন। নিকোলাস তাগলিয়াফিকো পুরোপুরি ফিট ছিলেন না। আর গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের আঙুল ভাঙা ছিল বলে জানান তিনি।

নিজের চোটের বিষয়ে রোমেরো বলেন, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর থেকেই অ্যাকিলিস টেন্ডনের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। ফাইনালের আগে ঠিকমতো অনুশীলনও করতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘ফাইনালের আগে প্রায় কোনো দিনই অনুশীলন করতে পারিনি। কয়েকটি ওষুধ ও একটি ইনজেকশন নিয়ে কোনোমতে খেলতে নেমেছিলাম। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আমার শরীর আর সইতে পারেনি।’

বিশ্বকাপের আগে হাঁটুর চোট নিয়েও শঙ্কায় ছিলেন রোমেরো। চোটের কারণে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা ছিল তাঁর।

এমন পরিস্থিতিতে কোচ লিওনেল স্কালোনি তাঁর ওপর আস্থা রাখায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আর্জেন্টিনার এই ডিফেন্ডার। চোটের শঙ্কা কাটিয়ে বিশ্বকাপে খেলতে পারাকে নিজের স্বপ্নপূরণ হিসেবে দেখছেন তিনি।

ফাইনালের পর ছড়িয়ে পড়া ষড়যন্ত্রতত্ত্ব নিয়ে রোমেরো বলেন, ‘আমরা এসব অর্থহীন বিষয়ে জড়াই না। গত ছয়-সাত বছর জাতীয় দলের সঙ্গে থেকে আমরা সব সময় নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

এস