স্পেনের রাজপরিবারের কাছ থেকে ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড’ নিয়ে ফেরার পর এটি ছিল মেসির দ্বিতীয় ম্যাচ। এর আগে নিউইয়র্ক রেড বুলসের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল মিয়ামি। ভ্রমণক্লান্তির কারণে ওই ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেও গোল বা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি আর্জেন্টাইন তারকা। সিনসিনাতির বিপক্ষেও পুরো ম্যাচ খেলে গোল কিংবা অ্যাসিস্টের দেখা পাননি তিনি।

ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টা দুই দলের কেউই গোল করতে পারেনি। অবশেষে ৬১ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার মিয়ামি।

তবে ৮০ মিনিটে কেনজি এমবোমা ডেমের গোলে সমতায় ফেরে সিনসিনাতি। ছয় মিনিট পর স্যামুয়েল গিডির গোলে এগিয়েও যায় তারা। তাতে মিয়ামির হার অনেকটাই নিশ্চিত মনে হচ্ছিল।

কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি করে মেসির দল। নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে বাঁকানো শটে গোল করেন রিকুয়েলমে ফিলিপ্পি। এমএলএসে নিজের প্রথম গোল করেই দলকে পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচান তিনি। এর আগে সুয়ারেজও প্রায় একই জায়গা থেকে গোল করেছিলেন।

এই ড্রয়ের পর ইস্টার্ন কনফারেন্সে তৃতীয় স্থানে থাকা ইন্টার মিয়ামির চেয়ে দুই পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশন। দলটির সংগ্রহ ৫৮ পয়েন্ট। দুই দলেরই হাতে রয়েছে আরও দুটি করে ম্যাচ।

পরবর্তী ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ডের মাঠে খেলবে মেসিরা। ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থান নির্ধারণের পাশাপাশি এমএলএস কাপের প্লে-অফে দ্বিতীয় সিড পাওয়ার লড়াইয়েও ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এস