টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আফগান বোলারদের ওপর চড়াও হন অভিষেক। মাত্র ১৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে ১৬ বলে করা ফিফটি যৌথভাবে চতুর্থ দ্রুততম।
ফিফটির পর আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন অভিষেক। পরের ৫০ রান করতে মাত্র ১৪ বল খেলেন তিনি। ১০ ছক্কায় মাত্র ৩০ বলেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই ব্যাটার। টেস্ট খেলুড়ে কোনো দেশের ব্যাটারের জন্য এটি দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। সব দেশের ব্যাটার মিলিয়ে এটি তৃতীয় দ্রুততম শতক।
শেষ পর্যন্ত ৩০ বলে ১০৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন অভিষেক। তাঁর ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ১১টি ছক্কা। সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে গড়েন ১৪২ রানের জুটি। পাওয়ারপ্লেতেই দুজন মিলে ১০০ রান তোলেন, যা পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ারপ্লেতে ষষ্ঠ দ্রুততম শতরান। স্যামসন করেন ৩৫ বলে ৫০ রান।
অভিষেকের বিদায়ের পর ভারতের রান কিছুটা ধীর হয়ে আসে। শ্রেয়াস আইয়ার ২০ বলে ২৯, শিবম দুবে ১০ বলে ১৪ এবং ইশান কিষান ৮ বলে ১০ রান করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২১ রান সংগ্রহ করে ভারত।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে আফগানিস্তান। অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান ১৬ বলে ২৫ এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাই ১৩ বলে ১৭ রান করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৪.১ ওভারে মাত্র ৯৪ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা।
ভারতের হয়ে নীতিশ কুমার রেড্ডি ও রবি বিষ্ণোই তিনটি করে উইকেট নেন। নীতিশ ২৫ ও বিষ্ণোই ২৬ রান দিয়ে তিনটি করে উইকেট শিকার করেন। অক্ষর প্যাটেল নেন দুটি উইকেট।
১২৭ রানের এই হার টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এর আগে ২০১২ সালে কলম্বোয় ইংল্যান্ডের কাছে ১১৬ রানে হেরেছিল তারা।
ভারতের বিপক্ষে ৯৪ রানে অলআউট হয়ে টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের রেকর্ডও গড়েছে আফগানিস্তান। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টিতে ১০০ বা তার বেশি রানের ব্যবধানে জয়সংখ্যা ১০-এ নিয়ে কানাডার সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ এমন জয়ের মালিক এখন ভারত।
এস





