শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ২০৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর। ১৯০ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দেশটির আরেক শহর কুচিং। পাকিস্তানের লাহোর ১৮১ স্কোর নিয়ে তৃতীয় এবং ঢাকা ১৬৫ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। ১৫৭ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, একিউআই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে ধরা হয়।
এ ছাড়া শূন্য থেকে ৫০ স্কোরের মধ্যে বায়ুর মান ‘ভালো’, ৫১ থেকে ১০০ ‘মাঝারি বা সহনীয়’ এবং ১০১ থেকে ১৫০ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে বায়ুর মান নির্ধারণে বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও২), কার্বন মনোক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও২) এবং ওজোন (ও৩)—এই পাঁচটি দূষণকারী উপাদান বিবেচনা করা হয়।
২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান তিনটি উৎস হিসেবে ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণকাজের ধুলাকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।
এস





