দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০২ রান তোলে ভারত। জবাবে শ্রীলঙ্কাও সমান রান তোলে। ফলে খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে ৪ বলেই মাত্র ২ রানে ২ উইকেট হারায় লঙ্কানরা। ভারতের সামনে তখন লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩ রান। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার করা প্রথম বলেই সূর্যকুমার যাদব কভার ড্রাইভ খেলে শুভমান গিলকে সঙ্গে নিয়ে দৌড়ে ৩ রান সংগ্রহ করেন। এর মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকেই ফাইনালে জায়গা করে নিল ভারত।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই গিল (৪) আউট হলেও অভিষেক শর্মার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে দারুণ শুরু পায় ভারত। পাওয়ার প্লেতে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭১ রান। অভিষেক ৩১ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৬১ রান। অধিনায়ক সূর্যকুমার (১২) আবারও ব্যর্থ হন। এরপর সঞ্জু স্যামসন (৩৯) ও তিলক ভার্মা (৪৯*) জুটি বেঁধে ৬৬ রান যোগ করেন। শেষদিকে অক্ষর প্যাটেল ১৫ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলেন। লঙ্কানদের পক্ষে ৫ বোলারই একটি করে উইকেট নেন।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ইনিংসের চতুর্থ বলেই শূন্য রানে ফেরেন কুশল মেন্ডিস। তবে পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল পেরেরা দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ১২৭ রানের জুটি। পেরেরা ৩২ বলে ৫৮ রান করে ফিরলেও, নিশাঙ্কা খেলেন অনবদ্য সেঞ্চুরি ইনিংস। তিনি ৫৮ বলে ৭ চার ও ৬ ছক্কায় ১০৭ রান করেন। এটি তার প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি এবং ভারতের বিপক্ষে কোনো লঙ্কান ব্যাটারের প্রথম সেঞ্চুরি।
এর আগে টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে সেঞ্চুরি ছিল কেবল বিরাট কোহলি ও হংকংয়ের বাবর হায়াতের। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো নিশাঙ্কার নাম। তবে তার ব্যাটিংয়ের পরও শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১২ রান তুলতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ১১ রান নিয়ে সমতায় ম্যাচ শেষ হয়।
এরপর ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে, যেখানে ব্যাটে-বলে ব্যর্থ হয়ে হেরে যায় শ্রীলঙ্কা। ভারতের বোলাররা সবাই একটি করে উইকেট নেন। এ ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন দলের মূল পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। পরিসংখ্যান বলছে, টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ৬ বার সুপার ওভারে খেলে শ্রীলঙ্কা হেরেছে ৪টিতে, আর ভারত জিতেছে সমান সংখ্যক ম্যাচে।
এনএইচ