টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব হারানোর পর এই ফরম্যাটের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অভিজ্ঞ অল রাউন্ডার ড্যারেন স্যামি।
শুক্রবার বিকালে দিনেশ রামদিনকে ক্যারিবীয়দের নতুন টেস্ট অধিনায়ক ঘোষণার ঘণ্টাখানেক পর অবসেরর ঘোষণা দেন স্যামি।
সাদা জার্সির ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে খেলা চালিয়ে যাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন সেন্ট লুসিয়ার এই তারকা।
২০০৭ সালে সেন্ট লুসিয়ার প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে টেস্ট অভিষেক হয় স্যামির। মাত্র ২৩ বছর বয়সে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সাদা পোশাকে মাঠে নামেন তিনি। সেই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৬ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
১৯৮৮ সালে ম্যালকম মার্শালের গড়া রেকর্ডের পর এটি ওল্ড ট্রাফোর্ডের সবচেয়ে ভালো বোলিং ফিগার। যদিও ওই টেস্টে হার মানে স্যামির দল। তবে একটি বিষয় নিয়ে স্বস্তি পেতে পারেন এই সেন্ট লুসিয়ান। তা হলো ১৯৫০ সালে আলফ ভ্যালেন্টাইনের গড়া বোলিং কীর্তির পর এটি অভিষেকে দলটির সবচেয়ে জ্বলজ্বলে বোলিং ফিগার।
মাত্র আটটি টেস্ট খেলার পর ২০১০ সালের অক্টোবরে ক্রিস গেইলের নিকট থেকে টেস্ট অধিনায়কত্ব লাভ করেন সামি। এরপর দলকে ৩০টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে ৮টিতে জয়, ১২টিতে হার ও ১০টি ড্র করেন স্যামি।
স্যামি উইন্ডিজের হয়ে ৩৮টি টেস্ট খেলে ১৩২৩ রান করেন। সর্বোচ্চ সংগ্রহ ১০৬। ব্যাটিং গড় ২১.৬৮। আর বোলিংয়ে ৩৫.৭৯ গড়ে ৮৪ উইকেট তার।
ঢাকা, ১০ মে (টাইমনিউজবিডি) //জেডআই
টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন স্যামি
টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব হারানোর পর এই ফরম্যাটের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অভিজ্ঞ অল রাউন্ডার ড্যারেন স্যামি।
তোমরা সব সময় এমন দুর্দান্ত খেলো না কেন: ফারিয়া
ক্রিকেটবিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ক্যানভাসে লাল-সবুজের নতুন এক রূপকথা লেখা হলো। ক্যাঙ্গারুর দেশের মাটিতে এর আগে টেস্ট জয়ের যে আক্ষেপ ছিল টাইগারদের, তা আজ ধূলিসাৎ হয়ে গেল ডারউইনের সবুজ উইকেটে। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই আঙিনায় পাত্তাই দিল না বাংলাদেশ, রচিত হলো দেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের এক অনন্য ও অভাবনীয় অধ্যায়।
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদেরই হারিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইন টেস্টে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল টাইগাররা।
টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা দিন পার করল বাংলাদেশ
দুই দশক আগে যখন অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ তখন লক্ষ্য ছিল—কেবল ভালো ক্রিকেট খেলা। ২৩ বছরে দুই দলের শক্তিমত্তার পার্থক্য অনেকটাই কমে এসেছে। তাইতো এবার জেতার লক্ষ্য নিয়েই তাসমান পাড়ে যায় টাইগাররা। বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্য যে মোটেও অলিক কিছু নয়, তার প্রমাণ মিলেছে প্রথম দিনই। অজিদের ঘরের মাঠে তাদের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে দিন শেষে চালকের আসনে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার ১০ উইকেট তুলে এক উইকেট হারিয়ে অর্ধেক রান শোধ করা—এমন একটা দিন বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসেই অন্যতম সেরা!
৪০১ রানের জুটিতে ইতিহাস, টেস্টে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন চেজ ও জাঙ্গু
মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমেই ২৩৩ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন আমির জাঙ্গু। তাঁর সঙ্গে অধিনায়ক রোস্টন চেজের ১৯৪ রানের ইনিংসে ভর করে টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৯ বছরের ইতিহাসে ষষ্ঠ উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটির নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
মুশফিকের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ
বাকি দুই ফরম্যাট থেকে অবসর নিলেও টেস্ট ক্রিকেটে খেলছেন মুশফিকুর রহিম। হয়তো তার সবচেয়ে পছন্দের এই লাল বলের ক্রিকেট। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে দাঁড়িয়েও দুর্দান্ত ফর্মে এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় টেস্টেও তার ব্যাটে রান। সিলেটে দ্বিতীয় ইনিংসে পেয়েছেন তিন অঙ্কের দেখা।















