শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দ্বিতীয় সেশনে বৃষ্টি ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই চা বিরতি ঘোষণা করা হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৪ ওভারে ৫ উইকেটে ৪৬ রান।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দলীয় স্কোরে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই পেসার শামার জোসেফের বলে গালিতে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম।

এরপর প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা সাদমান ইসলাম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় উইকেটে তাঁদের ২৭ রানের জুটি ভাঙেন অফস্পিনার রস্টন চেজ। সাদমানের ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক গলে বল স্টাম্পে আঘাত হানে। ১৩ রান করে ফেরেন তিনি।

একই ওভারে ক্রিজে নেমে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড-অনে জেইডন সিলসের ক্যাচে পরিণত হন তাওহীদ হৃদয়। দুই বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি তিনি।

দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়া বাংলাদেশকে আরও চাপে ফেলেন চেজ। তাঁর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন অধিনায়ক শান্ত। ১০ রান করেন তিনি। এতে ৩৩ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে বড় বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা।

এরপর দলীয় ৩৫ রানে জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে আউট হন লিটন দাস। ফলে মাত্র ৩৫ রানেই পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করা ২৭২ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৪৫ রানে। ফলে প্রথম ইনিংস শেষে ২৭ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ইনিংসে সেই লিড বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও দ্রুত পাঁচ উইকেট হারিয়ে এখন চাপে পড়েছে দল। ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে লিড কতটা বাড়াতে পারে বাংলাদেশ, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এস