ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন ঢাকা-৭ আসন থেকে ৯ম জাতীয় সংসদে সদস্য ছিলেন। ২০১৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এলাকায় ব্যানার টাঙিয়েছে।

গত বছর ২০১৫ সালে একই সময়ে তার কর্মীরা পুরা এলাকা জুড়ে নানা ধরনের পোস্টার ছাপিয়ে ছিল, যেখানে বিজয় দিবস উৎযাপনের বিপরীতে লেখা হয়েছিল স্বাধীনতা দিবস উৎযাপন।

বছর শেষ হয়েছে ঠিকই কিন্তু সেই দাগ মুছে যায়নি এখনও। হয়তো তিনি জানেন না নামে বেনামে ভুঁইফোড়া নেতাদের সাধারণ জ্ঞানের পরিসীমা এবং সেই পোস্টারে ১৬ ডিসেম্বরকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে লেখা হয়েছে। ফেসবুক জুড়ে নানা মনের নানা প্রশ্ন। উত্তর মিলছে না কারও কাছে।

এই নিয়ে ইসমাইল নামের এক শিক্ষার্থী লিখেছে, “একি করলেন অত্যাধু‌নিক নেতারা? জানতে হলে ‌স্থির‌চি‌ত্র ‌দেখুন। স্বাধীনতা দিবস কাকে বলে? উত্তর: ১৬ই ডি‌সেম্বর‌, ২০১৬ কে মহান স্বাধীনতা দিবস বলে।

যাদের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান নাই, তারা কেমনে জা‌তির নেতৃত্ব দিবে? এরা‌তো নিজের সি‌দ্ধির চিন্তাই করবে শুধু।

নিজের দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন সম্পর্কে জ্ঞান নাই, আজ  তাদের অনে কেই.....”

নিয়াজ নামের শিক্ষার্থী বলেন, “যে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস কোনটি জানেন না সেতো ৩০ লাখ শহীদের রক্তই ভুলে যাবে। তার কাছ থেকে জাতি কি আশা করতে পারে?”

মিলন নামের অপর শিক্ষার্থী বলেন, “একজন সংসদ সদস্য আইনপ্রণয়ন করেন। জাতি গঠনে অবদান রাখেন। অথচ নিজেই জানেন না কোনটি স্বাধীনতা দিবস আর কোনটি বিজয় দিবস? তার দেশের প্রতি ভালোবাস অভাব রয়েছে। শুধু তাই নয় বরং ভালোবাসাই নেই।

এই ধরনের সংসদ সদস্যের কাছে জাতি কি পাবে?”

জারিফ নামের অপর শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা এই ধরনের (সাবেক) এমপির কাছে কি আশা করবো? যিনি সাবেদক সংসদ সদস্য। হয়তো আগামীতে আবারও নির্বাচন করবেন। কিন্তু যিনি স্বাধীনতা দিবস আর বিজয় দিবসের পার্থক্য জানেন না তিনি রাজনীতি করেন কি নিয়ে। এই ব্যানার থেকেই বোঝা যায় এদের মধ্যে দেশপ্রেমের ঘাটতি কত?”

এমবি