ম্যাচের শুরু থেকেই একটা খটকা লাগছিল দর্শকদের। সাইডলাইনের ধারে কেমন যেন টলমল পায়ে হাঁটছিলেন মেরেক পিলনি।

চেক প্রজাতন্ত্রের লিগ ফুটবলে সেদিন ছিল প্রিবাম বনাম স্লাভিয়া প্রাগের লড়াই। পিলনি ছিলেন সে ম্যাচের চতুর্থ রেফারির দায়িত্বে।

চূড়ান্ত উত্তেজক ম্যাচ হলেও সকলের নজর তখন তাঁর দিকেই ঘুরছিল। সাইডলাইনের ধার ঘেঁষে যত বারই হাঁটছিলেন ধরা পড়ছিল পিলনির অস্বাভাবিকতা।

এক বার তো ঠোক্কর লেগে উল্টেই পড়ে গেলেন।

কমেন্টেটরাও তখন খেলা ছেড়ে পিলনিকে নিয়ে হাসাহাসি শুরু করেছেন। মাঠের ফুটবলারদের চাইতে তিনিই নাকি বেশি আনন্দ দিচ্ছেন, এমনটাই বলাবলি শুরু করে দেন কমেন্টেটররা।

এরপরই টনক নড়ে ম্যাচ অফিসিয়ালদের। হাফটাইমের সময় পিলনির কাছে আসতেই বুঝতে পারেন ব্যাপারটা। মদে চুর হয়ে মাঠে ঢুকেছেন তিনি। স

ঙ্গে সঙ্গে হিড়হিড় করে টানতে টানতে তাঁকে স্টেডিয়ামের বাইরে বের করে অফিসিয়ালরা।

গত বুধবার, ১১ মে-র এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ার মারফতে প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দার ঝড় বয়েছে। তবে অনেকেই মুচকি হেসে বিষয়টার মজাও লুটেছেন। তবে শুধু কি পিলনি!

তাঁর সঙ্গীও বা কম যান কীসে! অ্যাডিশনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি জিরি জেচ-ও নাকি সেদিন মদ্যপ ছিলেন বলে অভিযোগ।

পিলনির থেকে এক ধাপ এগিয়ে তিনি গোলপোস্টের পিছনে গিয়ে প্রস্রাব করেন বলে দাবি ছিল দর্শকদের একাংশের।

পিলনির কাণ্ডকারখানা ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। তবে অল্পের জন্য ক্যামেরায় দেখা যায়নি জিরির কীর্তি।

ঘটনার কথা জানাজানি হতেই ওই দু’জনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চেক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএসিআর) কর্তৃপক্ষ। লাইভ ম্যাচ চলাকালীন এমন কাণ্ডে আপাতত যথেষ্ট অস্বস্তিতে চেক ফুটবল কর্তারা।-সংবাদমাধ্যম।

ওএফ