ইসরায়েলের পণ্য বর্জনের জন্য তীব্র আন্দোলন করছে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এক দশক আগে শুরু হওয়া এই আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করেছে ইসরায়েলের সবচেয়ে বন্ধু রাষ্ট্র যুক্তেরাষ্ট্রে।
যুক্তরাষ্ট্রের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন।
ইসরায়েলের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি বন্ধে সরকারি পদেক্ষেপের জন্য আন্দোলন করছে তারা।
ক্যালিফোর্নিয়ার ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে পণ্য পরিহারের বিষয় ভোটাভুটি হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোর টিচিং অ্যাসিটেন্ট ও কর্মচারীদের সংগঠন ও ছাত্রদের সংগঠনগুলোর সমর্থনে দেশব্যাপী এই আন্দোলন চলছে গত ডিসেম্বর থেকে।
২০০৫ সাল থেকে ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানানো ও ইসরায়েলের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য এই আন্দোলন শুরু হয়। যাতে করে ফিলিস্তিনের দখলকৃত ভূমিতে বসতি নির্মাণ বন্ধ করতে বাধ্য হয় ইসরায়েল।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অনেক সভা-সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েল সেনাদের চেক পয়েন্ট ও পশ্চিম তীর বিভক্তকরণের বিরুদ্ধে তারা বিক্ষোভ করেছে।
ফিলিস্তিনের সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে আরব্য লোক নৃত্য পরিবেশন করেছে শিক্ষার্থীরা।
এই আন্দোলন ইউরোপের দেশগুলোতেও সমর্থন পাচ্ছে।
এতে ইসরায়েলের কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। তারা বলেছে, "তেল আবিবকে এক ঘরে করে রাখার চেষ্টা চলছে।"
জেডআই





