৫২-র ভাষা আন্দোলনে মওলানা ভাসানী ছিলেন প্রথম কাতারে। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট বৃটিশের পরাধীনতার শৃংখল থেকে মুক্তি পেয়ে পাকিস্তান নামে রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। স্বাধীনতার পূর্বেই পাকিস্তান নামক নতুন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রভাষা কি হবে তা নিয়ে দেশের শিক্ষিত সমাজ ও বুদ্ধিজীবি শ্রেণীর একটি ক্ষুদ্র অংশ যে নিরব প্রশ্নের সম্মুক্ষিন হন তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে ১৯৪৮ সালে ছাত্র-যুব সমাজের মধ্যে।

পাকিস্তানের ৫৬% মানুষের মুখের ভাষা বাংলাকে অগ্রাহ্য করে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার পাকিস্তানের শাসকগোষ্টির প্রস্তাবের প্রতিবাদ করে উঠে পূর্ব বাংলার সচেতন ছাত্র-যুব সমাজ। আন্দোলনের শুরুটা সীমাবদ্ধ ছিল ছাত্র ও যুব সমাজের মধ্যেই। ভাষা আন্দোলনের বিষয়টি রাজনৈতিক নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সক্ষম হয় দুঃখ জনক সময় পরে। অনেক রাজনৈতিক নেতা ভাষা আন্দোলনের শুরুতে জড়িত ছিলেন।

পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান কার্জন হলে এক ছাত্র সমাবেশে বলেন, “ভাষা সম্পর্কে ছাত্রদের দাবীতে অত্যান্ত অশোভন গুরুত্ব আরোপ করা হইয়াছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা মিমাংসা হইয়া গিয়াছে।”

তাঁর মৃত্যুর পর খাজা নাজিমউদ্দীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারী ঢাকার পুরানো পল্টন ময়দানে এক জনসভায় বলেন যে, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। প্রদেশের ভাষা কি হইবে তা প্রদেশ বাসীই স্থির করবেন, কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উদ্রু।”

ঐ সভায় তিনি মওলানা ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে আক্রমন করে বক্তব্য রাখেন। মওলানা ভাসানী সম্পর্কে তিনি যা বলেন তার অর্থ-মওলানা ভাসানীর সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ রয়েছে এবং তিনি একজন ‘ভারতের চর’।

খাজা নাজিমউদ্দীনের এই অভিযোগের প্রতিবাদে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী উভয়েই পত্র-পত্রিকায় বিবৃতি প্রদান করেন।

মওলানা ভাসানী তার দীর্ঘ বিবৃতিতে বলেন : “যেভাবে আজ দেশের সমস্ত জনসাধারণ মুসলিম লীগ শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হইয়া এবং যখন পায়ের নীচ হতে ক্রমেই মাটি সরিয়া পড়িতেছে তখন খাজা নাজিমউদ্দীনের পক্ষেই বেসামাল হইয়া আমার এবং সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে আবোল তাবোল অভিযোগ আনায়ন করা কিছুমাত্র আশ্চার্যের ব্যাপার নহে। তথাকথিত মুসলীম লীগ ওয়ালাদের বিগত চারি বৎসরের কুশাসনে দেশ চরম দুভিক্ষ ও দারিদ্রের নিম্নস্তরে নামিয়া গিয়াছে। খাজা নাজিমউদ্দীন তাহাদের সকল দোষ ত্রুটি ঢাকিবার জন্য বৃথাই আমাদের প্রতি গালি-গালাজ বর্ষন করিবার অপচেষ্টা করিয়াছেন।

আমি বর্তমান মুসলিম লীগ ওয়ালাদের মত মনে করি না যে, ভারতের মুসলমানদের প্রতি আমাদের কোন দায়িত্ব নাই। পাকিস্তানের প্রতি আমাদের দেশপ্রেমের জন্য খাজা নাজিমউদ্দীনের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন পরে না। এদেশের জনসাধারণ ভাল করিয়াই জানেন যে, বিগত ১৯৪৬ সনে যখন পাকিস্তান ইস্যুর উপর নির্বাচন হয় তখন আসাম প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতি থাকিয়াও যখন জাতির সেই ভাগ্য নিয়ন্ত্রনের নির্বাচনে জয়লাভ করিবার জন্য উত্তরবঙ্গে আমি প্রাণপনে কাজ চালাইয়া যাইতেছিলাম খাজা নাজিমউদ্দীন তখন সুদুর আমেরিকায় এবং তাহার বর্তমান অনুচরবর্গের অনেকেই তখন হয়ত কংগ্রেস নতুবা বৃটিশের অধিনে চাকুরীরত।”

ভাষা আন্দোলনে করণীয় নির্ধারনে ৫২-র ৩১ জানুয়ারী ঢাকা বার লাইব্রেরীতে সর্বস্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এক সাধারণ সভায় ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। এ সভায় যে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয় সেখানে ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীকে প্রধান করে এবং আবুল হাশিম, আতাউর রহমান খান, কামরুদ্দীন আহমেদ, খয়রাত হোসেন, আনোয়ারা খাতুন, শামসুল হক, আবুল কাশেম, আবদুল গফুর, মোহাম্মদ তোয়াহা, অলি আহাদ, মীর্জা গোলাম হাফিজ, আবদুল মতিন, কাজী গোলাম মাহবুব, শামসুল হক চৌধুরী, খালেক নেওয়াজ খান, সৈয়দ আবদুর রহিম প্রমুখ উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দ।

সেই সভাতেই ‘বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা কমিটি‘র পূর্ব ঘোষিত ৪ ফেব্র“য়ারীর ঢাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘট এবং ঐ দিনের সভা ও শোভা যাত্রার প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করা হয়। ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক অলি আহাদ লিখেছেন :- “৬ই ফেব্র“য়ারী পূর্ববঙ্গ কর্মী শিবির অফিস ১৫০নং মোগলটুলিতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকার যদি ১৪৪ ধারা ইত্যাদি নিষেধাজ্ঞা জারী করে তাহা হইলে আইন ভঙ্গ করা হইবে কি হইবে না তাহাও আলোচিত হয়। বেশীরভাগ উপস্থিত সদস্যই আইনভঙ্গের বিপক্ষে মত জ্ঞাপন করেন। কিন্তু, আমি ১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে দৃঢ়মত প্রকাশ করি।

বৃদ্ধ মওলানা ভাসানী সভাপতির আসন হইতে আমার বক্তব্যের সমর্থনে জোরালো ভাষায় ঘোষনা করিয়া বলেন যে সরকার আমাদের নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ন গণআন্দোলনকে ইচ্ছাকৃতভাবে বানচাল করিবার জন্য অন্যায়ভাবে আইনের আশ্রয় গ্রহন করে। সে সরকার কর্তৃক জারীকৃত নিষেধাজ্ঞাকে মাথা নত করিয়া গ্রহন করিবার অর্থ স্বেরাচারের নিকট আত্মসমর্পন। যা হোক, কোনরুপ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা ব্যতিতই সেইদিনকার সভা মুলতবী করা হয়।” ( জাতীয় রাজনীতি ৪৭-৭৫)

২১ ফেব্রুয়ারীর হরতালকে সফল করার জন্য ৪ ফেব্র“য়ারী থেকেই প্রস্তুতি চলতে থাকে। ঠিক সেই সময় অর্থাৎ ২০ ফেব্রুয়ারী রাতে পাকিস্তানের শাসকগোষ্টি ১মাসের জন্য ঢাকার সর্বত্র ১৪৪ধারা জারি করে। সর্বমহলেই সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ঐ রাতেই সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সময়টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী মফস্বল সফরে ছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় সরকারের জারিকৃত ১৪৪ধারা ভঙ্গের ব্যপারে সংগ্রাম পরিষদের সদস্যদের মাঝে তুমুল বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়।

জনাব অলি আহাদ পরিস্থিতি ব্যপক ও সুস্পষ্ট বিশ্লেষন করে দেখিয়ে দিয়েছিলেন যে, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে আন্দোলনের অগ্রসর না হলে ভাষা আন্দোলনের এখানেই অনিবার্য মৃত্যু ঘটবে। আর সরবকারী দমননীতির নিকট বশ্যতা স্বীকার করা হবে ও জনগনের স্বতঃস্ফুর্ত সংগ্রামী চেতনার সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করা হবে। পরিমেষে সভায় ১১-৪ ভোটে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ না করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন জনাব অলি আহাদ, জনাব আবদুল মতিন (ভাষা মতিন), জনাব শামসুল হক ও জনাব গোলাম মাওলা। যাই হোক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের দোদুল্যমানতা সত্ত্বেও ছাত্র-যুব সমাজের আপোষহীন প্রচেষ্টায় ৫২-র ২১ ফেব্রুয়ারী রচিত হলো এদেশের সংগ্রামের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৪৪ ধরা ভঙ্গের মাধ্যমেই সূচনা হয় ভাষা আন্দোলনের চুড়ান্ত অধ্যায়। যে অধ্যায়ে সালাম, বরকত, রফিক-সহ বহু শহীদের রক্তে লেখা হয় ইতিহাস।

ব্যাপক রক্ত পাতের কথা শুনেই মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ছুটে আসেন ঢাকায়। সরকার এতোটা হিংস্র হতে পারে সে আশংকা আগে কেউ করেনি। পরদিন ভাষা শহীদদের স্মরণে যে গায়েবানা জানাজা হয় মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গনে মওলানা ভাসানী তাতে উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কে ভাষা সৈনিক মোহাম্মদ সুলতান বলেছেন, “মওলানা ভাসানী গায়েবী জানাজা পরিচালনা করেন।” ভাষা সৈনিক গাজীউল হক বলেন, “শহীদদের গায়েবী জানাজা হলো। মোনাজাত করলেন মওলানা ভাসানী।” ভাষা আন্দোলনের মুখপাত্র সাপ্তাহিক সৈনিক লিখেছে-“মেডিকেল কলেজের সম্মুখে তিনি (মওলানা ভাসানী) লক্ষ লোকের একটি গায়েবী জানাজার নেতৃত্ব করেন।”

২১ফেব্রুয়ারীর ভয়াবহ ও বর্বরোচিত ঘটনা সম্পর্কে মওলানা ভাসানী এক বিবৃতিতে বলেন, “ঢাকায় যাহা ঘটিয়াছে তাহাকে নিন্দা করার ভাষা আমার নাই। কোন সভ্য সরকার এরুপ ববৃরোচিত কান্ড করিতে পারে আমি দুনিয়ার ইতিহাসে তার নজির খুজিয়া পাই না। ......... পেশী কথা বলার সময় এটা নয়। আমি দাবী করি অবিলম্বে ১৪৪ধারা প্রত্যাহার করা হউক। পুলিশী গুলির তদন্ত করার জন্য হাইকোর্ট জজ ও জনপ্রতিনিধি নিয়া গঠিত কমিশন নিযুক্ত করা হউক। আমি অপরাধিদের প্রকাশ্যে বিচার দাবি করিতেছি। এই ব্যপারে যাদের গ্রেফতার করা হইয়াছে তাদের মুক্তি দেওয়া এবং যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হইয়াছে অভিলম্বে তাহা প্রত্যাহার করা হউক। সর্বোপরী শহীদদের পরিবার পরিজনকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরনের ব্যবস্থা করা হউক।”

আন্দোলনকে স্থিমিত করতে শাসকগোষ্টি রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সংস্কৃতি কর্মীসহ অসংখ্য ব্যক্তিকে সরকার গ্রেফতার করেছিল সরকার। যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন-মওলানা ভাসানী, আবুল হাসিম, মাওলানা তর্কবাগীশ শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, অলি আহাদ, আবদুল মতিন, কাজী গোলাম মাহবুব, খয়রাত হোসেন, খান সাহেব ওসমান আলী, খন্দকার মোশতাক আহমেদ, মোজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী, অজিত গুহ, খালেক নেওয়াজ খান, মির্জা গোলাম হাফিজ, সরদার ফজলুল করিম প্রমুখ।

সেই বন্দী জীবন সম্পর্কে ভাষা আন্দোলনের সিপাহসালার জনাব অলি আহাদ লিখেছেন, “৫নং ওয়ার্ডে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, আবুল হাসিম, শামসুল হক ও আমি একত্রে বাস করিতাম। সর্বপ্রকার আশানিরাশার আলোছায়ার খেলায় বৃদ্ধ মওলানা ভাসানী সকলের নিকট পিতৃতুল্য স্নেহ, মায়ামমতা এবং সাহস, উৎসাহ ও দৃঢ়তার মূর্ত প্রতীক ছিলেন। আমাদের খাওয়া-দাওয়া ও ঔষধ-পত্রের যাহাতে অসুবিধা না হয় তাহার জন্য তিনি জেল কর্তৃপক্ষকে সুকৌশলে জয় করিয়া রাখিতেন। মোট কথা তাহার অপত্যস্নেহ ও নির্ভীক মন সেই সময়ে দুর্লভ প্রেরনার উৎস ছিল।” (জাতীয় রাজনীতি-১৯৪৫-৭৫)

সেই সময়কার ভাষা আন্দোলনকারীসহ বিভিন্ন কারাগারে বন্দী কমিউনিস্ট নেতা ও বামপন্থী কর্মীদের মুক্তির জন্য বিদ্রোহ করেন মওলানা ভাসানী। এ প্রসঙ্গে ভাষা আন্দোলনের সিপাহসালার জনাব অলি আহাদ তার জাতীয় রাজনীনিত ১৯৪৫-৭৫ বইয়ে লিখেছেন, “ রাজবন্দীর মুক্তির ও অন্যান্য দাবিতে মওলানা ভাসানী লেবুরস পানে রোজা রাখিবার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। আমরাও বন্দীমুক্তি ও কতিপয় দাবির ভিত্তিতে পূর্ন অনশন ধর্ম ঘটের পরিবর্তে মওলানা ভাসানী পরামর্শ মতো ৩৫দিন অনুরুপ রোজা রাখি।

” মওলানা ভাসানী ৫৩-র ১৮ এপ্রিল থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে আর রোজারমত নয় সম্পূর্ন ‘আমরন অনশন ধর্মঘট শুরু করেন, তাতে সরকার বিচলিত হয়, কারন তার অনশনের সংবাদ পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকে। এমনিতেই কারাবরনের সময় মওলানা ভাসানীর শাররিক অবস্থা ক্রমান্বয়ে অবনতি ঘটতে থাকে।

৫৩-র ফেব্রুয়ারীতে মওলানা ভাসানীকে কয়েকদিনের জন্য চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে রাখা হয়েছিল। সেই সময় ২১ ফেব্রুয়ারীর প্রথম বর্ষপূর্তিতে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জেলখানায় একদিনের অনশন করেন। সেদিন তিনি এক ফোটা পানিও মুখে দেননি। অনশন ধর্মঘট শুরুর পর তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটলে এবং ব্যপক জনমতের চাপে পাকিস্তানের শাসকগোষ্টি ১৯৫৩-র ২১ এপ্রিল কারাগার থেকে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন।

৫২-র ভাষা আন্দোলনের মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর যে অবদান তা আজ আর জাতিকে জানতে দিতে চায় না সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দালাল শাসকগোষ্টিরা। বরং তাকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে অব্যাহতভাবে। রাজনৈতিক কারনে মওলানা ভাসানীর নামটা ব্যবহার করলেও তাঁকে যথাযথ মূল্যয়ন করেনি কোন সরকারই।

ইআর