খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ২০-৪০ জন লোক মারা গেছে মাত্র। সন্ত্রাস দমন করতে গেলে কিছু লোক মরবেই।
বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ’ আয়োজিত ‘অযোক্তিক হরতাল ও অবরোধের বিরোদ্ধে মানববন্ধন ও সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জিন্নাত আলী খান।
কামরুল বলেন, গতকাল আপনারা দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী বার্ন ইউনিটে গিয়ে নিজে কেঁদেছেন, সমস্ত জাতিকেও কাঁদিয়েছেন। আপনারা লম্বা লম্বা কথা বলেন, কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ আহতদের খোঁজ নেননি।
তিনি আরও বলেন, পুত্র শোক ও তাকে কাতর করতে পারেনি, তার পোষাক ও চোহারা দেখলেই সেটা পরিস্কার হয়ে যায়। সরকার যখন দেশে সুস্থ পরিবেশ রক্ষার চেষ্টা করছে, আন্দোলন কারীরা গোপন স্থান থেকে ই-মেইল দিয়ে আন্দোলন-কর্মসূচি ও নাশকতার ঘোষণা দেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমেরিকা থেকে খোকা সাহেব ’র বক্তব্যই প্রমাণ করে নাশকতার মূল হোতা তারাই।
মন্ত্রী আরো বলেন, ১/১১’র কুশিলবরা আবার সোচ্চার হয়ে উঠেছে। যখন তারা দুই দলকে প্যারালাল করার চেষ্টা করেছিল তখন তারা সফল হয়নি, আর এখন তাদের পায়ের নিচে মাটি নেই, এরা সমাজের ক্যানসার, সংলাপের কথা বলে আরো ইন্ধন জোগায় ,কিন্তু তাদের কেউই বার্ন ইউনিটে গিয়ে আহতদের খবর নেয় না ।
তিনি আরও বলেন, মানুষ হত্যার নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, ক্রসফায়ার করা হচ্ছে, সন্ত্রাস দমন করতে গেলে এভাবে কিছু লোক মরবে। সন্ত্রাস- দৃর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার হতে ও তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে সকলের প্রতি আহব্বান জানান।
মন্ত্রী আরো বলেন, অচিরেই বিএনপি ধ্বংস হয়ে যাবে, অপেক্ষা করুন তাদের নেতারাই আন্দোলন থামিয়ে দিবে।
সংগঠনের সভপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাচ্ছে তখন একটি মহল সেই উন্নতিকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামসুল হক টুকু, শাহ আলম মুরাদ, এম এ করিম, ব্যারিস্টার জাকির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো: ফজলুল হক প্রমুখ।
এমএ/ এআর





