এশিয়া কাপের শুরু থেকেই লেট অর্ডারে ব্যাটিং এ নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ব্যাটিং মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন। রিয়াদ শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে শক্ত জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন।
বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয়েও মাহমুদউল্লাহর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
আনোয়ার আলীকে মারা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ছক্কায় পাকিস্তানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৫ উইকেটের জয়টা টাইগারদের পাইয়ে দিয়েছে এশিয়া কাপের ত্রয়োদশ আসরের ফাইনালের টিকিট। ১৫ বলে ২২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহই। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান করেছেন পরিণত ব্যাটিং। দায়িত্ব নিয়েছেন, চাপ নিয়েছেন এবং সফলতার ঝান্ডা উড়িয়েছেন বীরের মতো।
এই পাকিস্তানের বিপক্ষেই চার বছর আগে এমন স্নায়ুক্ষয়ী অবস্থায় পড়েছিল বাংলাদেশ। ২০১২ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে শেষ দিকে ৬ বলে দরকার ছিল ৯ রান। তখন দায়িত্ব নিতে পারেননি উইকেটে থাকা মাহমুদউল্লাহ। রাজ্জাক, শাহাদাতদের স্ট্রাইকে পাঠিয়ে অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখেছিলেন বাংলাদেশের অশ্রুস্নাত ২ রানের হার। বুধবার ইনিংসের শেষ দিকে সেই স্মৃতি মনে পড়েছিল মাহমুদউল্লাহর। এবার আর ভুল করেননি। বুক চিতিয়ে সাহসী ব্যাটিং করেছেন।
পুরস্কার বিতরণীর আগে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, “২০১২ সালের ফাইনাল আমার মনে ছিল। এটা আমাদের ওই পরাজয় ভুলতে সাহায্য করবে। সৌম্য দারুণ খেলেছে। চাপ সবসময় ছিল। তখন আপনাকে শান্ত থাকতে হবে এবং বড় শট খেলতে হবে। আমি শেষ পর্যন্ত থাকতে চেয়েছিলাম।” তা করতে পেরেছি বলে ভালো লাগছে।
অধিনায়ক মাশরাফিরও বিশ্বাস ছিল মাহমুদউল্লাহর উপর। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেন, “ও (মাহমুদউল্লাহ) বলেছিল চান্স নিব কিনা। ওর উপর আমার বিশ্বাস ছিল। বলেছি, খারাপ বল পেলে মারবি।” তিনি আরও বলেন, “আমি চাইছিলাম উইনিং শটটা ওর হাতে আসুক। ড্রেসিংরুমেই ও ২০১২ সালের কথা বলেছিল। ওর মনে ওইটা ছিল।”
ওএফ
















