যেভাবে শুরু
দৈনন্দিন খবরাখবরের পাল্লায় ভর করা পুরো দুনিয়ার গণমাধ্যম হঠাৎ আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠল যেন এক প্রচণ্ড ঝাঁকিতে। ধাক্কার নাম— "দ্য পানামা পেপারস"।
বিশ্বের সবচেয়ে একটি আতঙ্কিত নাম হলো 'পানামা পেপারস'। মানুষ যেমন বাঘ, ভাল্লুক ও বন্য হিংস্র প্রাণীকে ভয় পায় সেরুপ অবিশ্বাস্য হয়ে দারিয়েছে 'পানামা পেপারস'।
পানামা পেপারস কী?
গোপনীয়তা রক্ষাকারী হিসেবে স্বীকৃত পৃথিবীর অন্যতম প্রতিষ্ঠান মোস্যাক ফনসেকা, যেটি পানামার একটি আইনি প্রতিষ্ঠান, সেখান থেকেই সম্প্রতি ফাঁস হয়েছে ১১ মিলিয়ন নথিপত্র। ওই নথিপত্রগুলোকেই বলা হচ্ছে 'পানামা পেপারস'।
মোসাক ফনসেকা কী?
পানামা ভিত্তিক বিশ্বখ্যাত গোপনীয়তা রক্ষাকারী আইনি প্রতিষ্ঠান মোস্যাক ফনসেকা। মক্কেলদের পরামর্শ বাবদ তারা বার্ষিক ফি গ্রহণ করে।
মোস্যাক ফনসেকার অবস্থান
বিশ্বের ৪২টির বেশি দেশে প্রতিষ্ঠানটির শাখা রয়েছে। এসব শাখায় কর্মরত আছেন ৬০০ কর্মী।
ফাঁস হওয়া নথির পরিমাণ
সম্প্রতি মোস্যাক ফনসেকা’র এক কোটি ১০ লাখ গোপন নথি ফাঁস হওয়ার পর দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এসব নথিতে বেরিয়ে এসেছে বিশ্বের ধনী আর ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা কিভাবে কর ফাঁকি দিয়ে গোপন সম্পদের পাহাড় গড়েছেন? কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে ঠিক কি পরিমাণ নথি ফাঁস করেছে প্রতিষ্ঠানটি? এক কথায় এর উত্তর অনেক। বিপুল পরিমাণ নথি ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে।
এমনকি এটা ২০১০ সালে উইকিলিকসের ফাঁস করা নথির চেয়েও বেশি। ২০১৩ সালে সাংবাদিকদের কাছে এডওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করা নথির চেয়েও এ সংখ্যা ঢের বেশি। মোস্যাক ফনসেকা’র অভ্যন্তরীণ ডাটাবেজ থেকে ফাঁস হয়েছে ১১ দশমিক ৫ মিলিয়ন নথি এবং ২ দশমিক ৬ টেরাবাইট তথ্য।
কী? রয়েছে ফাঁস হওয়া নথিতে
ফাঁস হওয়া নথিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, কিভাবে গোপনীয়তার আড়ালে ল’ ফার্মটি বিশ্বনেতাদের অর্থপাচার, নিষেধাজ্ঞা এড়ানো এবং কর ফাঁকিতে সহযোগিতা করেছে। এতে আরও উঠে এসেছে, স্বৈরশাসকসহ বিশ্বের সাবেক ও বর্তমান ৭২ জন রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানের নিজেদের দেশ থেকে অর্থ লোপাটের ভয়াবহ চিত্র। তবে মোওস্যাক ফনসেকা বলছে, কোনও রকম প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই তারা গত ৪০ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছে।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংগঠন আইসিআইজে’র ডিরেক্টর জেরার্ড রাইল বলেন, নথিগুলোতে প্রতিষ্ঠানটির গত ৪০ বছরের প্রাত্যাহিক কার্যক্রমের তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। যদি এগুলোর সত্যতা নিশ্চিত হয়, তবে তা পুরো দুনিয়াকে কাঁপিয়ে দেবে।
কী ধরনের সহায়তা দেয় মোওস্যাক ফনসেকা
গ্রাহক আকৃষ্ট করতে ব্যবসায়িক সহযোগীদের নিজেদের ব্র্যান্ড নাম ব্যবহারের সুযোগ দেয় মোওস্যাক ফনসেকা। এ প্রতিষ্ঠানটি সুইজারল্যান্ড, সাইপ্রাস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডসসহ বিভিন্ন স্থানে ট্যাক্স হ্যাভেন পরিচালনা করে।
নিজ দেশের বাইরে অর্থ রাখার বিষয়ে দুনিয়াজুড়ে যেসব প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের সেবা প্রদান করে তার মধ্যে মোওস্যাক ফনসেকার অবস্থান চতুর্থ। তিন লক্ষাধিক কোম্পানির সঙ্গে তারা কাজ করে। যুক্তরাজ্যে তাদের বেশ মজবুত অবস্থান রয়েছে।
কী বলছে মোওস্যাক ফনসেকা
এই ডাটা ফাঁসের বিষয়ে বিশদ আলোচনায় যেতে আগ্রহী নয় মোস্যাক ফনসেকা। গ্রাহকের গোপনীয়তার রক্ষার দিকেই অধিক নজর তাদের। মোওস্যাক ফনসেকা বলছে, তারা মানি লন্ডারিং বিরোধী আইন মেনে চলেছেন। সেদিকে খেয়াল রেখেই তারা ক্লায়েন্টদের সেবা দিয়েছেন। নিজেদের সেবার যে কোনও ধরনের অপব্যবহার রোধে তারা সচেষ্ট ছিলেন। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
‘পানামা পেপারস কাহিনী’
দৈনন্দিন খবরাখবরের পাল্লায় ভর করা পুরো দুনিয়ার গণমাধ্যম হঠাৎ আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠল যেন এক প্রচণ্ড ঝাঁকিতে। ধাক্কার নাম— দ্য পানামা পেপারস। দুনিয়াজোড়া রথী-মহারথীরা কীভাবে নামে-বেনামে কাঁড়ি কাঁড়ি সম্পদ জমিয়েছেন সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে, তার সব দলিল-দস্তাবেজ বেরিয়ে পড়েছে থলের বেড়ালের মতো। খবর এখন একটাই, পানামা পেপারস।
কীভাবে প্রকাশ হলো এই বিশাল তথ্যাদির খবর? নিম্যান জার্নালিজম ল্যাবের বিস্তারিত বিবরণে পাওয়া গেল পুরো ঘটনার সবিশেষ।
পানামা পেপারসের তথ্য থেকে পাওয়া গেছে অর্থ তছরুপ, অস্ত্র চোরাচালান, কর ফাঁকি এবং অর্থ নিয়ে ধোঁকাবাজির পাহাড়সম তথ্য। পৃথিবীর প্রভাবশালী শতাধিক রাজনীতিবিদ রয়েছেন এই তালিকায়, এ ছাড়া রয়েছেন বিত্তশালী থেকে শুরু করে মিডিয়া সেলিব্রিটি, খেলার মাঠের তারকা।
এই তথ্য যেমন চমকপ্রদ, এই তথ্যকে সংবাদে রূপদানের প্রক্রিয়াটিও নেহাত কম রোমাঞ্চকর নয়। এই গোপন প্রোজেক্টটিতে প্রায় দুই বছর ধরে কাজ করেছেন শত শত পোড় খাওয়া সাংবাদিক; যার সবকিছুই হয়েছে লোকচক্ষুর অন্তরালে।
প্রচণ্ড চাপে বৃটিশ সিনিয়র মন্ত্রীরা
পানামা পেপারস বিস্ফোরণে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন তার ব্যক্তিগত আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করার পর কনজার্ভেটিভ পার্টির সিনিয়র রাজনৈতিক নেতারা রয়েছেন প্রচ- চাপে। এর মধ্যে রয়েছে জর্জ অসবর্ন, বরিস জনসন, সাজিদ জাভিদ প্রমুখ।
তাদের আয় ও আয়কর রিটার্ন প্রকাশের দাবি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থার মধ্যে আজ বৃটিশ পার্লামেন্টের হাউজ অব লর্ডসে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের প্রশ্নের মুখে পড়বেন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।
বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন রাজনৈতিক নেতাদের আর্থিক স্বচ্ছতা বিষয়ে বিতর্ক আহ্বান করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকারি পদে থাকা ব্যক্তিরা তাদের প্রভাব খাটিয়ে কি করেছেন তা জানার অধিকার অবশ্যই ভোটারের আছে। জনগণের এটা জানতে হবে আস্থা সৃষ্টির জন্য।
তাদেরকে জানতে হবে যে, তাদের নেতারা কি আয় করছেন, কোথা থেকে সেই অর্থ আসছে। জেরেমি করবিনের অবস্থান ও ডেভিড ক্যামেরন স্বপ্রণোদিত হয়ে নিজের যে আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করেছেন তাতে তারই মন্ত্রীসভার সিনিয়র নেতারা পড়েছেন তীব্র চাপে।
বিশেষ করে জর্জ অসবর্ন চ্যান্সেলর হিসেবে ট্যাক্স সিস্টেমের দায়িত্বে। তিনি ও তার দলের শীর্ষ আরও কয়েকজন ডেভিড ক্যামেরনের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হন।
বিশ্বে আরো যারা আলোচিত
এদিকে, অর্থ পাচারের তালিকায় নাম থাকা ধনাঢ্য ৮০০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
তদন্ত শুরু হয়েছে ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও পানামায়। এ ঘটনায় একটি স্বতন্ত্র তদন্ত কমিটি করার ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কর ফাঁকি দেয়াকে একটি ‘বৈশ্বিক সমস্যা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। পানামা পেপারসে যে ৫০০ ভারতীয়’র নাম তালিকায় উঠে আসে, তাদের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এ ঘটনা বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। নথিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নিকটাত্মীয়দের নাম আসে। এ তালিকায় সৌদি রাজা সালমান বিন আবদুল আজিজ, মিশরের সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারকের এক ছেলের নাম রয়েছে।
রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের পাশাপাশি ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি এবং ভারতের খ্যাতিমান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন এবং তাঁর পুত্রবধূ ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়ার নামও অর্থ পাচারকারীদের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
তবে, এক বিবৃতিতে অমিতাভ বচ্চন বলেছেন, তাঁর নামের অপব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া, ঐশ্বরিয়ার মিডিয়া পরামর্শক তা অস্বীকার করে বলেন, ওই নথিগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট।
এছাড়া, এই কেলেঙ্কারিতে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের তিন সহযোগীর নাম প্রকাশ হওয়ার পরপরই ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এর প্রতিবাদ আসে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র এই কেলেঙ্কারিতে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনেন
২৫ বাংলাদেশির সন্ধান
বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলা পানামা পেপারসে বাংলাদেশের কমপক্ষে ২৫ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও বেনিফিশিয়ারির নাম আছে। ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস (আইসিআইজে)-এর তথ্য দিয়ে আয়ারল্যান্ডের গণমাধ্যম আইরিশ টাইমসের ডিজিটাল প্রোডাকশন সম্পাদক ব্রায়ান কিলমার্টিনের গ্রাফ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ম্যাপ বলছে, এখন পর্যন্ত পাওয়া বাংলাদেশি ২৫ জনের মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান, একজন বেনিফিশিয়ারি ও ২২ জন শেয়ারহোল্ডার রয়েছেন। তবে কারও নাম প্রকাশ হয়নি। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ হলে নাম জানা যেতে পারে সবারই।
অবশ্য বাংলাদেশি যে কারও নাম এলে তা তদন্ত করার ঘোষণা এসেছে ঢাকার দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদকের পক্ষ থেকে। দুদক সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল বলেছেন, ‘পানামা পেপারস কেলেঙ্কারির ঘটনায় বাংলাদেশের জড়িতদের বিষয়ে অনুসন্ধান করবে দুদক। এ জন্য তিন সদস্যের অনুসন্ধানী দল গঠন করা হয়েছে। কমিটির নেতৃত্ব দেবেন উপপরিচালক আখতার হামিদ ভুইয়া।’
২০১৩ সালের সেই তালিকাও এবারের মতোই কর ফাঁকি দেওয়ার। তবে সেটা ছিল ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ডসভিত্তিক কমনওয়েলথ ট্রাস্ট এবং সিঙ্গাপুরভিত্তিক পোর্টকিউলিস ট্রাস্টনেট নামক দুটি আইনি প্রতিষ্ঠানের তথ্যের ওপর বানানো তালিকা।
সেখানে বাংলাদেশের ৩৪ প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি ও বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল। এবার মোসাক ফনসেকার মাধ্যমে কোন কোন বাংলাদেশি অবৈধ অর্থ বৈধ করেছেন তা জানা যাবে শিগগিরই।
ফলোআপঃ
আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
৬ এপ্রিল (রেডিও তেহরান): পানামা পেপারসে অর্থ পাচার এবং কর ফাঁকির ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিগমন্ডুর ডেভিড গুনলাগসন।
আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের কথা জানিয়ে তাঁর দল প্রগ্রেসিভ পার্টির উপনেতা ও কৃষিমন্ত্রী সিগুইডুর ইঙ্গি জোনাসন বলেন, পার্লামেন্টারি পার্টির সভায় প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। এখন তিনি (কৃষিমন্ত্রী) প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেবেন বলে জানান।
ফাঁস হওয়া নথি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সিগমন্ডুর গুনলাগসন ও তাঁর স্ত্রী ২০০৭ সালে উইনট্রাস নামের একটি কোম্পানি কেনেন। ২০০৯ সালে এমপি নির্বাচিত হওয়ার সময় গুনলাগসন প্রতিষ্ঠানটি থেকে পাওয়া লভ্যাংশের কথা গোপন করেছিলেন।
স্পেনের মন্ত্রীর পদত্যাগ
পানামা পেপারসে কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে স্পেনের ভারপ্রাপ্ত শিল্পমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল সোরিয়া পদত্যাগ করেছেন। রয়টার্সপানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে স্পেনের ভারপ্রাপ্ত শিল্পমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল সোরিয়া পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন। অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সোরিয়া। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এ কথা জানানো হয়েছে।
জুন মাসে অনুষ্ঠেয় স্পেনের দ্বিতীয় সাধারণ নির্বাচনের প্রাক্কালে তাঁর এই পদত্যাগের ঘটনা ঘটল। পানামভিত্তিক আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মোসাক ফনসেকা থেকে তথ্য ফাঁস হওয়ার পর অর্থপাচারের অভিযোগে বিশ্বের বেশ কয়েকজন বড় নেতা বিপাকে পড়েছেন। এর আগে আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিগমন্ডুর ডেভিড গুনলাগসন পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগ করেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনের চিলি শাখার প্রধান।
মোসাক ফনসেকার কার্যালয়ে পুলিশ।
পানামায় মোসাক ফনসেকার প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে পানামা পুলিশ। এই ল’ ফার্মটির ফাঁস হওয়া এক কোটি ১৫ লাখ নথিতেই ‘থলের বেড়াল’ বেরিয়ে পড়েছে অনেক বিশ্বনেতার।
মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) পুলিশের এ অভিযানের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন পানামা সিটি প্রসিকিউটর।
কিভাবে থলের বিড়াল বের হয়ে আসলো এ প্রসঙ্গে মোসাক ফনসেকা দাবি করেছে, তারা হ্যাকের স্বীকার হয়েছে।
এম আর





