নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় বার সরকার গঠন করে ঐতিহ্যবাহী এই দলটি। ডিজিটাল সেবায় এই সরকার সবার চেয়ে এগিয়ে থাকার দাবি করলেও দলীয় অনেক কার্যক্রমে এখনও দলটিতে ডিজিটালের ছোঁয়া লাগেনি। আওয়ামী লীগের ধানমন্ডির কার্যালয়ে ডিজিটালের কিছুটা ছোঁয়া লেগেছে। তবে এখনও ডিজিটালের ছোঁয়া লাগেনি দলটির প্রাণকেন্দ্র ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ প্রধান কার্যলয়ে। এ কার্যালয়ে নেই কার্যকর ইন্টারনেট ব্যবস্থা। রয়েছে মাত্র কয়েকটি অকার্যকর কম্পিউটার। ফ্যাক্সের ব্যবস্থা থাকলেও তা বেশি ভাগ সময়ে থাকে অচল। দলের প্রধান কার্যালয়টি নেতাকর্মীদের প্রাণ কেন্দ্র হলেও এখানে বিরাজ করছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। কার্যালয়ের টয়লেটের অবস্থা শোচনীয়। বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলনে এসে গরমে চরম ভোগান্তির শিকার হন সংবাদকর্মী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে সাংবাদিকরা বিভিন্ন সময় অভিযোগ করলেও আজ পর্যন্ত এর কোন সুরাহা হয়নি। গত জানুয়ারি মাসে দলীয় প্রচারণা বাড়াতে ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড আরও সহজ উপায়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে নতুন করে কয়েকটি সামাজিক মাধ্যম খুলেছে দলটি । তাদের রয়েছে দলীয় ওয়েবসাইট (http://www.albd.org), একটি ইউটিউব চ্যানেল (http://www.youtube.com/myalbd, একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট (https://twitter.com/albd1949) এবং একটি ফেসবুক পেজ (http://www.facebook.com/awamileague.1949)। এসবের সঙ্গে আরও যুক্ত হচ্ছে উত্তরণ নামের একটি ওয়েবসাইট। এখানে দলীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও থাকবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেয়া নেতাকর্মীদের বক্তব্যের অডিও-ভিডিও রেকর্ড। এছাড়াও দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়কে আরও ডিজিটাল করার কাজ চলছে। দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। [img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1399736819.jpg[/img] আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে (www.albd.org) তাদের সহযোগী সংগঠন হিসেবে ৭টি সংগঠনের নাম রয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ কৃষক লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, বাংলাদেশ তাঁতী লীগ ও বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ। এদের মধ্যে মাত্র দু’একটি সংগঠনের ওয়েবসাইট থাকলেও এতে নেই কোন আপটেড তথ্য। এমনকি আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটের অনেক কাজ এখনও সমাপ্ত হয়নি। ওয়েবসাইটে দেয়া যাচ্ছে না কোন আপডেট তথ্য। এছাড়াও আওয়ামী লীগের জেলা, উপজেলা ও ঢাকা মহানগর সংগঠনের নেই কোন ওয়েবসাইট বা পেইজ। এমনকি দলেও নেই ডিজিটালভিত্তিক কোন কর্মকাণ্ড। আওয়ামী লীগ সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সফলতা দেখিয়েছে। তবে দলীয় কার্যক্রমে ডিজিটালের কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন টাইমনিউজবিডিকে বলেন, সরকারতো ডিজিটালে সফলতা দেখিয়েছে। আবার দলীয়ভাবে দরকার কি? এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শুধু দলীয়ভাবে ডিজিটাল করে বসে থাকলে লাভ নেই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সারা দেশকেই তো ডিজিটাল করেছে। দলের প্রধান কার্যালয়ে ওয়াইফাই(ইন্টারনেট) ব্যবহার করা হয়না। তবে ধানমণ্ডি কার্যালয় ডিজিটালাইজড। ওখানেই আমাদের দলীয় কার্যক্রম বেশি চলে। একটি অনলাইন সাইবার প্রতিনিধি দল প্রতিনিয়ত কাজ করছে। দলীয় কার্যক্রমে ডিজিটাল পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে ড.হাছান মাহমুদ বলেন, সারা দেশের জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহের কাজ চলছে। যাতে করে একটি এসএমএসের মাধ্যমে সবাইকে পাওয়া যায়। এরপর ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করা হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেলিন টাইমনিউজবিডিকে বলেন, আমাদের একাধিক ওয়েবসাইট রয়েছে। উত্তরণ নামের একটি অনলাইন পত্রিকাও আছে। এগুলো দেখাশুনা করার জন্য কয়েকজন কাজও করছে। দলের প্রধান কার্যালয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি টাইমনিউজবিডি বলেন, আমাদের প্রধান কার্যালয় আন্দোলন সংগ্রামের জন্য। আমাদের অফিসিয়াল কার্যক্রম ধানমন্ডির কার্যালয়ে হয়। [b]ঢাকা, ১০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)// কেবি[/b]
টাইম ফোকাস
দলীয় কার্যক্রমে ডিজিটালে পিছিয়ে আ’লীগ
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় বার সরকার গঠন করে ঐতিহ্যবাহী এই দলটি। ডিজিটাল সেবায় এই সরকার সবার চেয়ে এগিয়ে থাকার





