সেতু আছে সড়ক নেই। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নদীর বুকে 'নিঃসঙ্গতায় দাঁড়িয়ে আছে দৌলতপুর ইউনিয়নের হালঘাটা সেতু।

নেই দু’ধারে রাস্তার কোন চি‎হ্ন। নির্মাণের পর কোন কাজেই আসেনি এটি। কোনোভাবেই এ সেতু পার হওয়া সম্ভবপর না হওয়ায় এলাকাবাসি এর নাম দিয়েছেন ‘ভূতের পুল’।

একদিনের জন্যেও ব্যবহার হয়নি সেতুটি। গাড়ি পারাপার দূরে থাক, পায়ে হেঁটে সেতু দেখতে গেলও অনেকটা দুর্গম পথ মাড়াতে হয়। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের হালঘাটা এলাকায় মাটিজুরা নদীতে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে এটি।

১৮ বছর ধরে দাঁড়িয়ে থাকা সেতুটি যে সড়ক দিয়ে সেতুটিতে উঠতে হবে তা আজও নির্মাণ হয়নি। সড়ক নির্মাণের আগেই নির্মিত হয়েছিল সেতু। তাই এখন দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখতে হয় সংযোগ সড়কবিহীন সেতুটি।

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের খালিটেকা মীরেরগাঁও গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মাটিজুড়া নদীর পশ্চিম হালঘাটা নামক স্থানে অনেক প্রত্যাশিত ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

রাস্তা নেই তবু তৈরি করা হয়েছে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে সেতু। কেন বা কার স্বার্থে ওই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না এলাকাবাসী।

সেতু তৈরি করা হলেও জনগণের কোনও কাজে আসছে না। কারণ রাস্তা তৈরি না করেই সেতু নির্মাণ করায় এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে সেতু।

ব্রিজের চারদিকেই পানি, নেই কোনও রাস্তা। ব্রিজের দুপাশে মাটি ভরাট ও রাস্তা তৈরি করে জনগণের চলার উপযোগী করে তোলা হলে সেখানে মানুষ উপকার পেত।

২০০১ সালের প্রথম দিকে খালিটেকা মীরেরগাঁও গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মাটিজুড়া নদীর পশ্চিমে হালঘাটা নামক স্থানে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই ব্যাপারে দৌলতপুর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল মজিদ বলেন, ২০০১ সালে মাটিজুড়া নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

কিন্তু আজও পর্যন্ত রাস্তা না হওয়ায় নির্মিত সেতু দিয়ে এলাকার মানুষ চলাচল করতে পারছে না।

এএস