নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় এর আওতাধীন সংস্থাসমূহের মাধ্যমে চলতি অর্থবছরে (২০১৫-১৬) ২৯টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রকল্প এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প ১১টি। এ জন্য ১১৫৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
গত অর্থবছরে (২০১৪-১৫) ৭৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে মন্ত্রণালয় ৩৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
এডিপির ১৮টি প্রকল্পের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ’র ৭টি, বিআইডব্লিউটিসি’র ৩টি, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৩টি, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের ২টি, সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের ১টি ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ২টি এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ১১টি প্রকল্পের মধ্যে মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ’র ৩টি, বিআইডব্লিউটিসি’র ২টি, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৩টি ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ৩টি প্রকল্প।
আজ বিশ্ব নৌ-দিবস। অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও যথাযথভাবে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দিবসটিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমুদ্র পরিবহন অধিদফতর নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। তাছাড়া দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আলাদা বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসার এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নৌপরিবহনের গুরুত্ব অপরিসীম।
প্রাচীনকাল থেকে এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও পরিবহনের ক্ষেত্রে নৌপথ বিশেষ ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব আজ সমুদ্রপৃষ্ঠসহ বিশাল জলভাগে স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় জনগণকে সচেতন করতে নৌ-দিবস পালন কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা নিচু এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের খুব কাছাকাছি। জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জীবন-জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি, আমাদের নীতিমালা ও গৃহীত ব্যবস্থা জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নৌ-পথে দুর্ঘটনা রোধ করে বিপুল সংখ্যক মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
নৌ-দিবস উপলক্ষে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরে এবং নারায়ণগঞ্জের পাগলা ঘাটে পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
এমএ/ইআর





