আল-কায়েদার সাবেক প্রধান ওসামা বিন লাদেন ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে আমেরিকায় হামলার সাথে জড়িত নন বলে দাবি করেছেন আমেরিকান সাংবাদিক জেমস ফেজার।

শুধু তাই নয়, ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলা পেন্টাগনের নব্য রক্ষণশীলদের একটা "গোপন কৌশল" এবং আমেরিকা এবং ইসরায়েলী গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে এ কাজ সম্পাদিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন এই প্রভাবশালী মার্কিন সাংবাদিক।

ভিটারেন্স টুডের সম্পাদক এবং '৯/১১-এর সত্য উদঘাটন স্কলার' দলের সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জেমস ফেজার আরও বলেন, "৯/১১ ছিল একটা কৌশলগত ঘটনা। ঘটনাটি ঘটানোর জন্য সিআইএ'র প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং মোসাদের মধ্যে যোগ সাজস ছিলো।"

আমেরিকার মেডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক তার প্রতিবেদনে বলেন, এই ঘটনার পর সিআইএ সন্দেহজনকভাবে আল-কায়েদার ওপর অপরসীম নির্যাতন শুরু করে। এটা আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিক শালীনতার নিয়ম-নীতিকে ভঙ্গ করা।

সিআইএ তাদের গোসল করার সময় জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং নির্যাতন করত। ৯/১১-এর মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত খালিদ শেখ মোহাম্মদও তাদের মধ্যে একজন।

সোমবার ফোনের মাধ্যমে ফেজার বলেন, "এ ধরনের বর্বরতা একটা জাতির মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিপরীত।"

৯/১১'র মতো এ রকম পাতানো ঘটনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে আক্রমণাত্মক যুদ্ধে অপরিমেয় কষ্ট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে বলেও জানান তিনি।

আমেরিকার সিনেট ৩,৬০০ পৃষ্টার একটি অশ্রেণীবদ্ধ সংস্করণ প্রকাশ করতে যাচ্ছে। এখানে সিআইএ'র কয়েক মিলিয়ন শেণীবদ্ধ তথ্যের পর্যালোচনা থাকবে।

আমেরিকার সিনেটের গোয়েন্দা কমিটির সভাপতি দায়ানি ফেনস্টেইন বলেন, এই প্রতিবেদন একটা বর্বরতাকে প্রকাশ করবে। জাতির মূল্যবোধের সাথে যা সম্পূর্ণ বিপরীত।

এই নির্যাতন কৌশলকে অত্যন্ত খারাপ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। অমানবিক এ নির্যাতনের বিতর্কিত এই কৌশলের কারণে ইতোমধ্যেই সিআইএ সঠিক গ্রুগ থেকে ছিটকে গিয়ে আগুনের মধ্যে পড়েছে। সূত্র: প্রেস টিভি।

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ