“বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুদের আরও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।” এই স্লোগান নিয়ে শুরু হয়েছে আজ বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস। কেউ ইচ্ছা করুক আর নাই বা করুক শিশুদের এরোগ হয়েই চলেছে। এটি এখন আর দুরারোগ্য নেই। এর ও আছে চিকিৎসা কিন্তু সেটা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবসের উৎপত্তি।
বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস
বর্তমানে শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ ক্যান্সার। পৃথিবীর ৯০টি দেশের ১৭৮টি জাতীয় সংগঠনের সম্মিলিত মঞ্চ ‘চাইল্ডহুড ক্যান্সার ইন্টারন্যাশনাল’ এর উদ্যোগে ২০০২ সালে এ দিবসটি প্রবর্তিত হয়। শিশুদের ক্যান্সারের কারণ ও প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণ এবং আক্রান্ত শিশুদের নিরাপদ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে এ দিবসটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসের ১৫ তারিখে এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।
শিশুরা কী কী ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়:
১৫ বছর বয়সের নিচে কোন শিশু-কিশোরদের এরোগ ধরা পড়লে সেটা শিশুদের ক্যান্সারের আয়তায় পড়বে। এই সমস্যা খুব বেশি দেখা যায় না। গড়ে ০.৫ থেকে ৪.৬ শতাংশ শিশুদের এ সমস্যা দেখা দেয়।
এদের বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার দেখা দিতে পারে। যেমনঃ লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে টিউমার, ব্রেস্ট, ফুসফুস, কোলন ক্যান্সার ইত্যাদি।
কারণ:
বংশগত কারণে হতে পারে।
যে সকল বাচ্চাদের “ডাউন সিনড্রোম” আছে তাদের এই সমস্যা হতে পারে।
এছাড়া সাধারণত বয়স্কদের যেসকল কারণে এ সমস্যা হয় বাচ্চাদেরও সেসকল কারণে এরকম হতে পারে। যেমনঃ ধূমপান, ইউভি রশ্মি ইত্যাদি। তবে বাচ্চাদের শরীরে কীভাবে এ সমস্যা বৃদ্ধি পায় বা পূর্ণতা পায় সেটা এখনও সঠিক ভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয় নাই।
এমই





