তিন বছর বয়সে স্বাভাবিক জ্বর। পরবর্তীতে খিচুনি। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার পর মরিচের জন্য বায়না।

একটি দুটি করে এখন প্রতিদিন এক থেকে দেড় কেজি মরিচ না খেলে অস্থীরতা কাটে না গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্য পরাণ গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে আলামিনের (১৫)। মরিচের ঝাজকে জয় করে একযুগ ধরে বেঁচে আছে সে। মরিচ ভোজি আলামিন ৪ ভাই বোনের মধ্যে পিতা-মাতার ২য় সন্তান। আলামিন এখন পুরোপুরি মানসিক ভারসাম্যহীন। সে নিজের পায়ে নিজে শিকল বেঁধে রাখতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে।

আলামিনের পিতা হতদরিদ্র হওয়ায় সে সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। প্রতিদিন মরিচ ভোজি আলামিনকে দেখার জন্য তার বাড়িতে শতশত মানুষ ভিড় করছে।

কেএইচ