সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কোর অদূরে ইয়ারমুক শহরে হানা দিয়েছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। তারা দখল করে নিয়েছে ইয়ারমুকের অধিকাংশ অঞ্চল। এই শহরে রয়েছে ১৮ হাজার শরণার্থীর বাস। শরণার্থীরা বেশির ভাগ ফিলিস্তিনের উদ্বাস্তু।

উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনিদের নিয়ে গড়ে ওঠা এই শরণার্থী শিরিব ইয়ারমুক শরণার্থী শিবির নামে পরিচিত। বুধবার থেকে এখানে হামলা শুরু করে আইএস। তিন দিনের তুমুল যুদ্ধ শেষে শহরটির মূল অংশ দখল করে নিয়েছে জঙ্গিরা।

দামেস্কোর দিকের অংশটি এখনো দখল করতে পারেনি। সে অংশে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বাহিনী শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এখন ইয়ারমুকের ১৮ হাজার বেসামরিক ফিলিস্তিনি শরণার্থী পড়েছে জীবন-মৃত্যুর মাঝে।

আত্মরক্ষাতে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের একটি সামরিক শাখা রয়েছে। এ ছাড়া তারা আল-কায়েদার শাখা হিসেবে পরিচিত সংগঠন নুসর ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শনিবার।

জঙ্গিদের রুখতে ব্যর্থ হওয়ায় শরণার্থী শিবির ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করছে ফিলিস্তিনের উদ্বাস্তুরা। কিন্তু তারা সেখানে এক প্রকার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এই ১৮ হাজার শরণার্থী এখন কোথায় যাবে, তার কোনো ঠিক নেই। এদের মধ্যে অধিকাংশ শিশু।

উল্লেখ্য, ১৯৫৭ সালে জাতিসংঘের আহ্বানে ইয়ারমুকে ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দেয় তৎকালীন সিরীয় সরকার। সে থেকে এই শরণার্থী শিবিরে বাস করে আসছে তারা।

এসএইচ