বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবস আজ রোববার। পাঁচ বছর আগে এই দিনে বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) নাম বদলে দেশে সীমান্তরক্ষী এই বাহিনীর নতুন নামে করে যাত্রা শুরু করে।
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহসহ বাহিনীর সদর দফতর পিলখানায় ইতিহাসের বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের পর এ বাহিনী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পিলখানায় বিদ্রোহীরা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল। পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন-২০১০’ জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর ২০১০ সালের ২০ ডিসেম্বর নতুন নামে ও পোশাকে এ বাহিনী যাত্রা শুরু করে।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিজিবি বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দিবসের কর্মসূচি অনুযায়ী বাদ ফজর ঢাকার পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দফতরসহ বাহিনীর সকল ইউনিট মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত হবে। বিজিবি সদর দফতরে সকাল সাড়ে ৮ টায় রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন করবেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।
সকাল ৯ টায় পিলখানাস্থ ‘সীমান্ত গৌরব’ এ বিজিবি মহাপরিচালক পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সকাল সাড়ে ৯ টায় বিজিবি সদর দফতরে মহাপরিচালকের বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে। বিজিবির সকল রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটসমূহে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন ও অধিনায়কদের বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন দেশপ্রেম, কর্তব্যনিষ্ঠা ও পেশাগত দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে দেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে বিজিবি সদস্যদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ একটি ঐতিহ্যবাহী বাহিনী।
বিজিবি দিবস উপলক্ষে গতকাল এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) একটি আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ‘বিজিবি সদস্যরা দেশের সীমান্ত রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমরা ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন-২০১০’ প্রণয়ন করেছি। বিজিবি’র নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ও জনবল অনুমোদন এবং পদবি কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। বাহিনীর কার্যক্রমে গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য চারটি রিজিয়নের আওতায় কমান্ড স্তর বিকেন্দ্রীকরণ হয়েছে। চারটি নতুন সেক্টর ও ১১টি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এআই





