আজ মিনা দিবস। ১৯৯৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে দিনটি পালিত হয়ে আসছে। মেয়ে শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে ইউনিসেফ এর উদ্যোগে সৃষ্টি হয় জনপ্রিয় এই কার্টুন চরিত্র-মিনা।
১৯৯০ দশককে জাতিসংঘ ঘোষণা করেছিলো কন্যা শিশু দশক। এই কার্টুনের ২৩ পর্বে মিনার নানান কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হয় কন্যা শিশুদের শিক্ষার গুরুত্ব আর সমাজের বিভিন্ন বৈষম্যমূলক আচরণকে।
ইউনিসেফ ও টুনবাংলার হাত ধরে মীনার জন্ম। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মেয়েরা সবসময়েই বিভিন্ন অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নারীশিক্ষার হারও ছিল খুব কম। ৯০ দশককে সার্ক ‘মেয়েশিশু দশক’ হিসেবে ঘোষণা করে। সেসময় মেয়েদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় তৈরি হয় মীনা।
বাংলাদেশের সামাজিক ইস্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে মিনার ১২টি পর্ব। দেশের শিশুদের মন জয় করে মিনা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ছাড়াও জয় করে নেয় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষের মন। আরবি, বার্মিজ, চীনা ভাষাসহ প্রায় ৩০টি ভাষায় ডাবিং করা হয়েছে জনপ্রিয় মিনা কার্টুনটি।
বাংলাদেশে শিশুদেরকে ভিনদেশি কার্টুন ডোরেমন এর প্রভাব থেকে বের করে আনতে মিনা কার্টুন বিকল্প হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এজন্য গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, মিনা চরিত্রটি মেয়ে শিশুদের অধিকারের কথা বলে। নির্মল বিনোদন দেয়ার পাশাপাশি সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে মিনা।
কেএইচ





