বাংলাদেশে ধর্ষণের সংখ্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।এমনকি ভারতকেও এ প্রতিযোগিতায় ছাড়িয়ে যেতে পারে, যদি না-এর পেছনে সামাজিক কারণ, সাংস্কৃতিক ইন্ধন, প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা, বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘ সূত্রিতা দূর না করা যায়।

বাংলাদেশে ভুল সংস্কৃতির অনুসরণ সয়লাভ করছে ব্যপক হারে। আমরা প্রতি নিয়ত মুখে এক কথা আর কাজে আর এক কথা বলে থাকি।

আমরা ভারত বিরোধিতায় এক এবং অভিন্ন মত পোষণ করে থাকি।অন্যদিকে ভারতীয় যত নষ্ট সংস্কৃতি হল আমাদের নিত্য দিনের দেখার বিষয় ও মনের খোঁরাক।

আমাদের দেশের যে সমাজ গড়ে উঠছে, সেখানে অবাধ যৌনাচার উৎসাহিত হচ্ছে। যেখানে প্রেমের নামে এসব অবাধ যৌনাচার করা ও তা দেখানো বা বলা এগুলো সমাজ-জীবনে, মিডিয়ায় স্বাভাবিক ঘটনা।

প্রেম ও যৌনাচার দুয়ের মধ্যে আলাদা করতে পারি না আজকাল। আবার একে অপরের মধ্যে অমিল দেখা দিলে তা ধর্ষণ হিসেবে অভিযোগ করতেও কুণ্ঠিত নয়।

যেখানে তারকাদের নিয়ে মিডিয়ায় রগরগে নিউজ, ইউটিউবে ভিডিও ক্লিপ, নিয়মিত  অসামাজিকতার আলাপ আলোচনা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

এমন রঞ্জিত আলোচনা শুনতে হয়, সমাজে আলোচিত হয় যার প্রভাব যে সমাজে কত মন্দ তা বলাই বাহুল্য। দেখার বিষয় হয়ে উঠেছে।

কিন্তু কে থামাবে এসব মিডিয়াকে? কেউ দেখার নেই। কবে দায়িত্বশীল হবে এসব সমাজ বিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এখানে সমাজবিজ্ঞানীরা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কদলী বৃক্ষের মতো, এসব দেখেও না দেখার ভান করছেন। তথ্যমন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সমাজবিজ্ঞানী কারোর যেন কিছুই করার নেই।

একটার পর একটা প্রভা ও হ্যাপী ও তাদের অবাধ যৌনাচারের ঘটনা দেখাবে সমাজকে ?  একটার পর একটা প্রভা ও হ্যাপী তাদের অবাধ যৌনাচারের ঘটনা গল্পের মতো শুনিয়ে যাবে সমাজে?

সিনেমাগুলোতে এসব দেখাবে। পাশের দেশের খারাপ টিভি সিরিয়াল ও সিনেমা দেখবে। তাহলে পাশের দেশ বিশ্বে যে বিষয়ে খ্যাতি অর্জন করবে সে সেক্টরে বাংলাদেশও খ্যাতি অর্জন না করাটাই তো অস্বাভাবিক নয় কি?

আমি মনে করি হ্যাপিদের মিডিয়ায় যৌনকথন, এ/ভি ক্লিপস, এবং উপরে উল্লিখিত বিষয়গুলোর সাথে সমাজে ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার সাথে একটি আন্তঃসম্পর্ক রয়েছে।

এ ব্যাপারে বলা উচিত সমাজবিজ্ঞানীরা, তারা বলছে না বলছি আমরা সাধারণরা। এ এক বাংলাদেশ যেখানে যার যা কাজ সে তা করে না।

এমকে