গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর গ্রামবাংলার অপরূপ শোভা কাশবন এখন আর চোখে পড়ে না। কালের বিবর্তনে বিলুপ্তির পথে কাশফুল। যুগযুগ ধরে গ্রামবাংলার নদ-নদী, ঝোপ-ঝাড়, জঙ্গল, পুকুর, খাল-বিল, ঈদগাহ ও ফাঁকা জায়গায় পথচারীদের দৃষ্টি কেড়ে নিত কাশবন।
পথচারীদের হৃদয় ছুঁয়ে যেত কাশফুলের সৌন্দর্য। মনে লাগত দোলা। যুগ যুগ ধরে বগুড়ার গাবতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেক কাশফুল ফুটলেও এখন আর তেমন চোখে পড়ে না সেই চিরচেনা দৃশ্য।
চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই রোধে রাস্তার দুপার্শ্বে কাশফুল কেটে পরিষ্কার করা হয়েছে এমনটাই জানালেন এলাকাবাসী।
দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি, নদ-নদী ভরাট, পতিত স্থান ও উচু জমি হ্রাস পাওয়ায় কাশফুল কমে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃতির অপরুপ শোভা দানকারী ও সৌন্দর্যের প্রতীক কাশবন (ফুল) এখন বিলুপ্তির পথে।
পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তোফাজ্জাল হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় কাশফুলের অবদান রয়েছে। কাশফুল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে ফলে সবার মন খুশি থাকে।
এবিষয়ে গপলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার আজিজুল ইসলাম বলেন, কাশফুল গ্রামবাংলার শোভা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার কাশফুল।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মাসুদ জানান, কাশফুল ফাঁকা স্থানে জন্ম নেয়। কাশফুল মানুষের জন্য খুব উপকারী।
উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জানান, ব্যক্তি পর্যায়ে কাশবন বা কাশফুলের গাছ সংরক্ষণে কৃষকদের মাঝে গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
এসএম





