এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক স্কুল র‍্যাঙ্কিং-এ শীর্ষ পাঁচটি দেশই এশিয়া মহাদেশের। বিপরীতের তালিকায় নিচের দিকে রয়েছে আফ্রিকান দেশগুলো।

অরগানাইজেশন ফর ইকোনোমিক কো-অপারেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) অর্থনৈতিক চিন্তাবিদরা এই তালিকা তৈরি করেছেন।

তারা বলেছেন, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্পর্কের ভিত্তি ৭৬টি দেশের মধ্যে তুলনা করা এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

ওইসিডি'র শিক্ষা বিষয়ক পরিচালক আন্দ্রেস শ্লেইশার বলেছেন, "এই প্রথমবার বৈশ্বিক শিক্ষার মান নিয়ে বাস্তক একটি মানদণ্ড পেলাম।"

"এর মাধ্যমে বিশ্বের শিক্ষা ক্ষেত্রে শীর্ষে থাকা দলগুলোর সঙ্গে অন্য দেশগুলো নিজেদেরকে তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছে। তাদের পারস্পরিক সক্ষমতা ও দুর্বলতা বের করা যাবে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে তারা কি অর্থনৈতিক লাভ করতে পারবে তা জানা যাবে।"

সেরা স্কুলের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুর। পরের স্থানেই হংকং। আর তালিকায় সবার নিচে রয়েছে আফ্রিকান দেশ ঘানা। এদিকে ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য রয়েছে ২০তম স্থানে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র আছে ২৮তম স্থানে।

১৯৬০ এর দশকে সিঙ্গাপুরে নিরক্ষরতার হার অনেক বেশি ছিল। কিন্তু তারা এখন ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছে।

যুক্তরাজ্যে প্রতি পাঁচ জনে এক জন ছাত্র মৌলিক শিক্ষা শেষ করার আগে বিদ্যালয় ছেড়ে দেয়। ওইসিডি জানিয়েছে, তারা এই সংখ্যাটি কমিয়ে এনে দক্ষতা উন্নতি করতে পারলে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে ট্রিলিয়ন ডলার যোগ হতে পারত।

শিক্ষামন্ত্রী লর্ড নাশ বলেছেন, "আমি মনে করি এটা প্রত্যাশিত একটি মনের ধারণা। অনেক স্কুলের উদাহরণ আছে যেগুলো নাটকীয়ভাবে উন্নতি করেছে।"

বিশ্বের এক তৃতীয়াংশের দেশকে নিয়ে তৈরি করা এই তালিকা দেখিয়েছে যে কিভাবে ইরান, দক্ষিণ আফ্রিকা, পেরু ও থাইল্যান্ডের মতো দেশ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নতি করেছে।

এটা আরো দেখায় যে আরো একবার যুক্তরাষ্ট্র খারাপ ফল করল। ইউরোপের দেশগুলোর পিছনে চলে গেছে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশটি এবং ভিয়েতনামও তাদেরকে ছাড়িয়ে গেছে। এটা আরো স্পষ্ট করেছে যে সুইডেনের মান কমে গেছে। ওইসিডি আগেই তাদেরকে সতর্ক করে দিয়েছিল যে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় সমস্যা আছে।

শীর্ষ ১০ দেশ:

১. সিঙ্গাপুর

২. হংকং

৩. দক্ষিণ কোরিয়া

৪. জাপান

৪ তাইওয়ান

৬, ফিনল্যান্ড

৭. এস্তোনিয়া

৮. সুইজারল্যান্ড

৯. নেদারল্যান্ডস

১০. কানাডা

জেডআই