বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের রাজ্যবিলাসি স্বপ্নের এবং আভিজাত্যের  বহি:প্রকাশ হল তাদের বাসভবন। কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের বাসভবন কেমন তাই দেখার বিষয়। বিশ্বে কয়েকটি সৌদর্য মন্ডিত রাষ্ট্রপ্রধানের বাসভবনের উল্লেখ করা হল। 

এক হাজার ঘর!

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এর্দোগানের নতুন দপ্তর এটি৷ নাম "হোয়াইট প্যালেস"। অক্টোবর ২৯, ২০১৪ সালে এটি উদ্বোধন করেন এর্দোগান৷ প্রায় সাড়ে তিনশো মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রেসিডেন্ট প্যালেসে ঘর রয়েছে এক হাজারটি৷

রাতের বেলায় আলোর নাচন

দেখছেন প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর কাজাখস্থানের প্রেসিডেন্ট ভবন৷ যুক্তরাষ্ট্রের ‘হোয়াইট হাউস’-এর মতো মনে হচ্ছে কি? রাতের বেলায় এই ভবনে আলোর নাচন দেখা যায়৷

তুর্কমেনিস্তানের প্রাসাদ

সাবেক সোভিয়েত সদস্য তুর্কমেনিস্তানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট গুরবাঙ্গুলি ব্যার্দিমুহামেদু থাকেন এই প্রাসাদে৷ তিনি ছিলেন জাতির জনক সাপারমুরাত নিয়াজোভ-এর ব্যক্তিগত চিকিৎসক৷ সেই সূত্রে একে একে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন শেষে এখন তিনি দেশের প্রেসিডেন্ট৷ থাকেন গম্বুজ বিশিষ্ট এই বিশাল ভবনে৷

বিতর্কিত ভবন "মিয়াজেহেরিয়া"

একসময় ছিল ইউক্রেনের সরকারি অতিথি ভবন৷ ২০১০ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ এটাকে তাঁর বাসভবন হিসেবে বেছে নেন৷ তারও একবছর আগে তিনি এই বাড়িটি কিনেছেন বলে দাবি করেছিলেন৷ যদিও কত দামে সেটা কিনেছিলেন তা বলেননি৷ ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইয়ানুকোভিচ পদত্যাগে বাধ্য হলে ‘মিয়াজেহেরিয়া’ ছেড়ে পালিয়ে যান৷

"মিয়াজেহেরিয়া"-র ভেতরে

দেখেই বোঝা যাচ্ছে কেমন বিলাসী জীবনযাপন করতেন ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ৷ বিক্ষোভের মুখে তিনি পালিয়ে গেলে সাধারণ জনগণ এই বাড়িতে ঢুকে পড়ে৷

তিন হাজার ঘরের প্রাসাদ!

রোমানিয়ার রাজধানী বুখারেস্টে বিশাল এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেছিলেন সে দেশের কমিউনিস্ট নেতা নিকোলাই চসেস্কু৷ ১৯৮৪ সালে উত্তর কোরিয়া ভ্রমণের পর তাঁর এ ধরনের ভবন নির্মাণের সাধ জাগে৷ ৮৪ মিটার উঁচু এবং ২৬৫,০০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে থাকা এই প্রাসাদে রুমের সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি!

এলিসি প্রাসাদ

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বসেন এই টেবিলে৷ এ থেকে দেশটির প্রেসিডেন্টদের জন্য বরাদ্দ সরকারি বাসভবন এলিসি প্রাসাদ সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে৷

সাদ্দাম হুসেনের বাসভবন

২০০৩ সালে তোলা এই ছবিতে ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হুসেনের বাসভবন দেখা যাচ্ছে৷

ইরানের প্রেসিডেন্ট ভবন

ছবিটি "সা’দাবাদ প্যালেস"-এর৷ ১৯২০-এর দশকে রেজা শাহ পাহলভি প্রাসাদের সংস্কার করে এর আকার বড় করেন৷ বর্তমানে প্যালেসে ১৮টি ক্যাসেল বা ভবন রয়েছে৷ সা’দাবাদ প্যালেসের কাছেই ইরানের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনটি রয়েছে৷

ঘানার প্রেসিডেন্ট ভবন

আফ্রিকার একটি উন্নত অর্থনীতির দেশ ঘানা৷ কোকো ও সোনা রপ্তানি করে দেশটি অনেক অর্থ আয় করে৷ ছবিটি সে দেশের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের৷

রাজপুত্রের বাড়ি এখন প্রেসিডেন্ট ভবন

১৯৯৪ সাল থেকে জার্মানির প্রেসিডেন্টদের সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে "বেলভ্যু প্যালেস"৷ বার্লিনের স্প্রি নদীর ধারে অবস্থিত এই ভবনটি ১৭৮৬ সালে নির্মিত হয়৷ তখন থেকে প্রাশিয়ার রাজকুমার ফার্ডিনান্ড-এর গ্রীষ্মকালীন বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এটি৷

 ইআর