আজ আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস। অভিবাসী কর্মীদের মর্যাদা ও অধিকার সমুন্নত রাখার প্রয়াসে প্রতিবছর ১৮ ডিসেম্বর পালিত হয় আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য `বিশ্বময় অভিবাসন, সমৃদ্ধ দেশ, উৎসবের জীবন` ।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথভাবে উদ্যাপনের লক্ষ্যে সরকার জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ভবনে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিশ্বের ১৬০টি দেশে বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি কর্মী কর্মরত আছেন। প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৫ লাখ কর্মীর বৈদেশিক কর্মসংস্থান হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে অভিবাসী কর্মীরা যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, সে অনবদ্য অবদানকে মূল্যায়ন করাই এ দিবসের উদ্দেশ্য আমরা অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করেছি এবং বাংলাদেশ থেকে আর কোন কর্মী অবৈধভাবে বিদেশ গমন করতে পারবে না।
এ উপলক্ষে দু’দিনব্যাপী র্যালি, আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার, বিশেষ সুভ্যেনির প্রকাশ, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, অভিবাসন মেলা, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রবাসী কর্মীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ইত্যাদি অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের মাধমে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় এবং বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসীদের অংশগ্রহণে এ দিবসটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে উদ্যাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে মানবপাচার এবং অভিবাসন-প্রত্যাশীদের মুমূর্ষু অবস্থায় সাগরে ভাসতে থাকার ঘটনায় সারা বিশ্বে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার জঙ্গলে বাংলাদেশিদের গণকবর পাওয়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ওই অবস্থায় সমুদ্রপথে মানবপাচার ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেয় প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পুলিশ প্রশাসন।
এমএইচ





