দীর্ঘ ৫১ দিন যুদ্ধের পর গাজায় যুদ্ধবিরতি হয়েছে। সোমবার হামাস ও ইসরাইল দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
৮ জুলাই হামলা শুরুর পর অর্ধশতাধিক দিনের এই ইসরাইলি আগ্রাসনে ঘটেছে বিপুল প্রাণহানি। ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে ভয়াবহ। গাজায় ইতোপূর্বে আরো তিনবার হামলা চালিয়েছিল ইসরাইল। কিন্তু এবারই সবচেয়ে বেশি তাণ্ডব চালিয়েছে তারা।
যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ইসরাইলি হামলায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই হাজার ১৪৫ জন। এদের মধ্যে শিশু ৫৭৮, নারী ২৬১, প্রবীণ ১০২ জন। ইসরাইলি হামলায় আহত হয়েছে অন্তত ১১ হাজার। এদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
নিহতদের মধ্যে এক হাজার ৬৪০ জন বেসামরিক নাগরিক বলা হলেও- এ সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
একই পরিবারের সব সদস্য নিহত হয়েছেন, এমন পরিবারের সংখ্যা ৯০টি। আর একাধিক সদস্য নিহত হয়েছে, এমন পরিবারের সংখ্যা শতাধিক।
বেসরকারি হিসাব মতে, প্রায় পাঁচ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুৎ হয়েছেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন অন্তত দুই লাখ।
ফিলিস্তিনি গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে, ইসরাইলি হামলায় ১৫,৬৭০টি বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২২৭৬টি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরাইলি হামলায় ১৯০টি মসজিদ গুঁড়িয়ে গেছে। এগুলোর মধ্যে ৭৯টি মসজিদ পুরোপুরি মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে।
ফিলিস্তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে, ইসরাইলি গোলায় অন্তত ১৪০টি স্কুল ইসরাইলি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। এগুলোর মধ্যে ২৪টি পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে।
গাজা ইরাইলে রকেট হামলা চালায় চার হাজার ৫৬২টি। এর মধ্যে আয়রন ডোমের মাধ্যমে ইসরাইল ভূপাতিত করেছে ৭৩৫টি।
ইসরাইল গাজার পাঁচ হাজার ২৬২টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।
ইসরাইলে মৃতের সংখ্যা ৬৯। তাদের মধ্যে পাঁচজন ছাড়া সবাই সৈন্য।
পুরো পরিবারসহ নিহত হননি কেউ। দুটি ধর্মীয় উপাসনালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঢাকা, ২৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেবি





