চা হলো ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয়। এক হিসেবে দেখা গেছে, প্রতি বছর ৮৩৭,০০০ টন চা পান করে দেশটির নাগরিকরা।
১৫ বছর একই জায়গায়
মুম্বাই নগরীতে চা বিক্রি করেন সন্তোষ। ১৫ বছর আগে তিনি তার ব্যবসা শুরু করেন।দীর্ঘ সময়ে তার চারপাশের পরিবেশের অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। যে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তিনি চা সরবরাহ করতেন, সেগুলো এখন আর ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই। ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর জায়গায় গড়ে উঠেছে বড় বড় অফিস। তবে এই অফিসের অনেকেই সন্তোষের চায়ের নিয়মিত ক্রেতা। তারা অফিসের টি-ব্যাগের চেয়ে বেশি পছন্দ করেন সন্তোষের হাতে তৈরী দুধ আর তাজা আদার চা।
চায়ের সাথে তথ্য ফ্রি!
বিহার রাজ্যের পাটনা রেলস্টেশনে বেশ কয়েকজন চাওয়ালা রয়েছেন। তারা কেটলিতে চা নিয়ে প্লাটফর্ম এবং ট্রেনে বিক্রি করেন। এমনই একজন চা বিক্রেতা হলেন গণেষ। তিনি বিভিন্ন ট্রেনের স্থানীয় সময়সূচী মুখস্ত করেছেন। ভ্রমণকারীদের এক কাপ চা দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ট্রেনের সময়সূচীও বলে দেন।
সোবহানের দোকান
কলকাতার পাশে আলীপুরের কেন্দ্রস্থলে সোবহান বারওয়া'র চায়ের দোকান। দূর্গা পূজার সময় এখানে দেবদেবীর অস্থায়ী মূর্তি তৈরী করা হয়। এগুলো দেখতে ভীড় করেন দর্শণার্থীরা। নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, সাধারণত আমি রাত ১০ টার সময় দোকান বন্ধ করি। কিন্তু পূজার সময় ভোর ৫টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে হয়। আমার এখানে এসে দর্শণার্থীরা চা, ডিম এবং ফেন্স টোস্ট খেতে পারেন।
পারিবারিক ব্যবসা
লালু যাদব এ পর্যন্ত কয়েক শবদাহ দেখেছেন। কারণ তার দোকানটি বারানসির গঙ্গা নদীর তীরে মানিকারনিকা ঘাটের পাশে অবস্থিত। মানিকারনিকা ঘাটে একটি চিতা রয়েছে।
অনেক হিন্দু মনে করে জায়গাটি একটি পবিত্র জায়গা। তাই তারা জীবনের শেষ দিনগুলো এখানে কাটাতে আসে। তাদের চাওয়া একটাই, মৃত্যুর পর যাতে এই চিতার আগুনে নিজের দেহকে পোড়ানো হয়।
যাহোক, লালুর বাবা ৪০ বছর আগে এখানে চায়ের দোকান শুরু করেন। শবদাহের সময় যাতে মৃতের আত্মীয়-স্বজনরা দোকানে বসে চা পান করতে পারে, সেজন্যই তিনি দোকানটি চালু করেছিলেন। সূত্র: বিবিসি।
উল্লেখ্য, লেখাটি তৈরী করা হয়েছে বিবিসি'র' Chai - the drink India can't live without' শীর্ষক ফিচার অনুসারে। মূল লেখাটি পড়তে চাই্লে এই লিংকে ক্লিক করুন: http://www.bbc.com/news/magazine-27991440
ঢাকা, ০৪ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // টিআই





