গত সপ্তাহের রাজনীতির হালচাল নিয়ে এসেছি আমি মো. মুস্তাঈন বিল্লাহ। আমার কাছে এ সপ্তাহের গুরুত্ব পুর্ণ ইস্যু মনে হয়েছে ‘সার্চ কমিটি গঠন’ ও  ‘রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প’। এই দুই ইস্যু নিয়ে রাজনীতিক ব্যক্তিদের তর্কবিতর্কের  শেষ নেই।  নিম্নে এই দুই ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত তথ্য বহুল আলোচনা করা হলো। 

সার্চ কমিটি গঠন:

নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

ছয় সদস্যের সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান হলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।তিনি এর আগেও সার্চ কমিটির দায়িত্বে ছিলেন।

সার্চ কমিটির বাকি পাঁচজন সদস্য হলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মাসুদ আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য শিরীণ আখতার।

সার্চ কমিটি সম্পর্কে রাজনীতিক দলগুলোর অভিমত:

নতুন সার্চ কমিটি সম্পর্কে ২৫ জানুয়ারি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “নির্বাচন কমিশন গঠনে গঠিত সার্চ কমিটি আওয়ামী লীগের ইচ্ছানুযায়ী হয়েছে। আমরা এতে শুধু হতাশই নই, ক্ষুব্ধও। এর মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি।”

২৮ জানুয়ারি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানানোর পর সার্চ কমিটি কাছে প্রত্যাশা কী জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করা হবে দেশের মানুষ এই প্রত্যাশা করেছিলো। কিন্তু সার্চ কমিটিতে যাদের রাখা হয়েছে তাদের ব্যাপারে আমরা ইতোমধ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দুর্ভাগ্য হলো তাদের সবার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই তাদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন আশা করা যায় না। তারপরেও যদি তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে পারে, তাহলে মানুষ বুঝবে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে তারা কাজ করেছেন।”

২৬ জানুয়ারি সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে জাতিসঙ্ঘের আবাসিক সমন্বয়ক (ইউএনআরসি) রবার্ট ওয়াটকিনস বলেছেন, “আমরা রাষ্ট্রপতির সাথে নির্বাচনের সার্বিক প্রক্রিয়া নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে চাই।পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে- এসব নিয়ে আলাপ করতে আমরা আগ্রহী।” তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগে সুপারিশ করার জন্য নবগঠিত সার্চ কমিটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে আমরা জানতে চাই।তবে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত কোনো এজেন্ডা নেই।”

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতিসংঘের আলোচনার প্রস্তাবের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “সার্চ কমিটি গঠনের আগে এমন উদ্যোগ নেয়া হলে এটা ফলপ্রসু ও কার্যকর হতে পারতো। তবে আমরা আগে থেকে কিছু বলতে চাই না। এতটুকু বলতে চাই এর আগে জাতিসংঘের কোনো উদ্যোগই সফল হয়নি।”

অন্যদিকে ২৬ জানুয়ারি যশোরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “আমরা সার্চ কমিটিতে আওয়ামী লীগের কাউকে চাই না। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের চাই। সার্চ কমিটিতে তারাই রয়েছেন।”

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “যারা সার্চ কমিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তারা দলীয় লোকদের এই পদে বসাতে চেয়েছিলেন। নিজেদের প্রত্যাশিত তালগাছ পায়নি বলে সার্চ কমিটি নিয়ে বিতর্ক তুলছেন।”

২৮ জানুয়ারি সার্চ কমিটির বিরোধিতাকারীদের সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, “নতুন নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে গঠিত সার্চ কমিটি সঠিক। সার্চ কমিটির সদস্যরা অত্যন্ত জ্ঞানী-গুণী ও ভালো লোক। যারা সার্চ কমিটি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন তা ভ্রান্ত ও রাবিশ। এর কোন ভিত্তি নেই।”

২৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদই নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঠিক করবেন। বিদেশি কারও নাক গলানোর প্রয়োজন নেই।তবে সৌজন্য সাক্ষাৎ হতেই পারে, কিন্তু দেশের কোনো বিষয় নিয়ে কথা নয়।”

রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প:

বাগেরহাটের রামপালের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে ২৬ জানুয়ারি সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ঢাকায় অর্ধদিবস হরতাল ডাকে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, “এটা বিস্ময়কর যে, সরকার এখন পর্যন্ত বলে যাচ্ছে কোনো ক্ষতি হবে না। কিন্তু কোনো ক্ষতি হবে না- এটা তো কোনো উত্তর হতে পারে না। আমার ওপর বিশ্বাস রাখেন কোনো ক্ষতি হবে না- এটা কোনো বিজ্ঞানের যুক্তি না।বিজ্ঞানের যুক্তি হচ্ছে, সুনির্দিষ্ট তথ্য, যুক্তির ভিত্তিতে একটা সিদ্ধান্তে আসা।”

“সেই যুক্তির তথ্য অনুযায়ী এটা নিশ্চিত যে, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের সর্বনাশ করবে। আমরা এখনো আশা করি, সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। যৌক্তিক আচরণ করবেন এবং এই সুন্দরবনবিনাশী প্রকল্প বাতিল করবেন”, যোগ করেন আনু মুহাম্মদ।

তিনি বলেন, “এই হরতাল ক্ষমতার সংকীর্ণ সংঘাতে সম্পদ ধ্বংসের নয়, বরং সম্পদ রক্ষা-সম্পদ সৃষ্টি এবং বাংলাদেশ রক্ষার। এই হরতাল জ্বালাও-পোড়াওয়ের নয়, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের।”

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা কমিটির ডাকা অর্ধ দিবস (সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা) হরতালে দেশের মানুষের স্বার্থে বিএনপি সমর্থন ঘোষণা করছে।”

সুন্দরবন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিশ্ব নেতাদের সামনে সুন্দরবন নিয়ে যে তথ্য দিয়েছে তা বানোয়াট, অসত্য। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এতো বড় বিজ্ঞানী হয়েছেন যে দেশ বিদেশের এতো বিশেষজ্ঞের মতামতকে অগ্রহ্য করে প্রভুদের কাছে দেয়া কথা বাস্তবায়ন করছে। অবৈধভাবে ক্ষমতা আসলে যা হয়। সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে সুন্দরবনকে ধ্বংস করতে চায়।”

তিনি আরো বলেন, “সন্দরবন ধ্বংস করে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন হলে শুধুমাত্র মুনাফাখোর আর সুবিধাভোগিদের লাভ হবে। সারা দেশের এবং জনগণের ধ্বংস হবে। এতো কিছু জেনে শুনেও সরকার নিজেদের সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়ন করতে চায়। প্রভুদের কাছে দেয়া ওয়াদা বাস্তবায়ন করতে গেলে শ্লোগানে মিছিলে উদ্বেল হয়ে সকল বাধা অতিক্রম করে দেশপ্রেমিক জনগণ আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ শরু করবে।”

২৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও দলটির মুখপাত্র হাছান মাহমুদ বলেছেন, “জিয়ার সঙ্গে খাল খননকারী বাহিনী রামপালের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে। তাদের সুর ও বিএনপির সুর একই ধরনের। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে যে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চায় তারা।”

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হাছান মাহমুদ বলেন, “অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদেরা আজ পরিবেশবিদ হয়ে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। অল্প বিদ্যা ভয়ংকরীদের দ্বারা আজ বাংলাদেশ বিপর্যস্ত।”

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, “সুন্দরবন সংলগ্ন রামপালে কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ব্যাপারে সরকারের একগুঁয়েমী বাংলাদেশের জন্য আত্মঘাতি প্রমাণিত হবে। দেশের স্বার্থের কথা চিন্তা করে এ অদূরদর্শী পরিকল্পনা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।”

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভারতের ন্যাশশাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) তার নিজ দেশের মধ্যপ্রদেশে ১৩২০ মেগাওয়াটের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখাত হয়েছে। যেখানে ভারত জনস্বার্থে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের রামপালে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করার পরিকল্পনা করছে কার স্বার্থে?”

রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাতিলের দাবিতে ডাকা আধা বেলা হরতালের সমর্থনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মিছিল-সমাবেশ হয়। শাহবাগে হরতাল-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ জলকামান ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।

শাহবাগের ঘটনায় বেশ কয়েকজন হরতাল-সমর্থক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।

হরতালের সমর্থনে রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন, দৈনিক বাংলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি এলাকায় বিক্ষোভ, মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। শাহবাগ ছাড়া অন্য কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

হরতাল-সমর্থকদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে হরতাল শেষে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ২৫ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ ‘সুন্দরবনবিনাশী’ সব প্রকল্প বাতিলের দাবিতে রাজপথে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে জাতীয় কমিটি। এ ছাড়া ১১ মার্চ খুলনা মহানগরীতে ‘উপকূলীয় মানুষদের নিয়ে’ মহাসমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।

অন্যদিকে হরতালের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে শাহবাগ থানার সামনে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়েছে দুই সাংবাদিক

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে সুন্দরবন বাঁচানোর হরতালে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও গরম পানি ছুড়ে মারে। এসময় পুলিশি অ্যাকশনের ছবি সংগ্রহ করতে গেলে বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন নিউজের ক্যামেরাপারসন আব্দুল আলিমের ওপর চড়াও হয় পুলিশ। এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে রিপোর্টার ইশান দিদারকেও বেধড়ক মারধর করা হয়।

এটিএন নিউজের অ্যসোসিয়েট হেড অব নিউজ প্রভাষ আমিন তার ফেসবুক টাইমলাইনে জানান, পুলিশ হরতাল সমর্থকদের পেটাচ্ছিল। তার ছবি তুলছিলেন এটিএন নিউজের ক্যামেরাপারসন আব্দুল আলিম। 'এ অপরাধে' পুলিশ শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে তাকে পেটাতে থাকে। বাধা দিতে গেলে রিপোর্টার ইশান দিদারকেও পিটিয়েছে পুলিশ।

এদিকে শাহবাগ থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি রাস্তার উল্টোদিকে ছিলেন। ঘটনাস্থল সিসি ক্যামেরায় আওতাধীন, যারা এ ঘটনায় জড়িত তাদের বের করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, “আজ রামপাল কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সুন্দরবন বিনাশী সব চুক্তি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ নির্বিচারে জলকামান ও কাঁদানে গ্যাসের সেল ছুড়ে। আমরা পুলিশের এধরণের আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সাথে আমরা দাবি জানাচ্ছি, সরকার জনদাবিকে মেনে নিয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করবে।”

আর সাংবাদিক পেটানোর ঘটনাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (এমপি) বলেছেন, “সাংবাদিক নির্যাতন পুলিশে করেনা, মাঝে মাঝে ধাক্কাধাক্কি লেগে যায়, এ ধরনের কিছু হয়েছে।”

এমবি