ফাঁসি কার্যকরের সময় কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি, নির্বিকার ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী। ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যেতে তাকে কোনো জোর-জবরদস্তিও করতে হয়নি।
এমনটিই জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) শেখ নাজমুল আলম, যিনি ফাঁসি কার্যকরের সময় ডিএমপি কমিশনারের প্রতিনিধি হিসেবে ফাঁসির মঞ্চে ছিলেন।
মঙ্গলবার (১০ মে) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের আমির নিজামীকে। সে সময় অন্যদের সঙ্গে ফাঁসির মঞ্চে দায়িত্বরত ছিলেন শেখ নাজমুল আলম।
তিনি বলেন, কনডেম সেল থেকে বের করে আনার সময় স্বাভাবিকভাবে হেঁটে এসেছেন নিজামী। তাকে কোনো জোর-জবরদস্তি করতে হয়নি। যমটুপি থেকে শুরু করে ফাঁসির দড়ি গলায় পরানোর সময় পর্যন্ত নির্বিকার ছিলেন তিনি। কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড এবং হত্যা-গণহত্যা ও ধর্ষণসহ সুপিরিয়র রেসপন্সিবিলিটির (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব) দায়ে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হয়েছে নিজামীকে। ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া চলাকালে পুরো সময়টাতে তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায়নি বলেও জানান পুলিশ কর্মকর্তা নাজমুল।
ওএফ





