বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আজ। জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোতে দ্বিতীয়বারের মতো একযোগে পালিত হচ্ছে দিবসটি। বাংলাদেশেও দিবসটি উদ্যাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য `উন্নত পরিসংখ্যান, উন্নত জীবন`।
২০১০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় ২০ অক্টোবরকে `বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস` হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। সিদ্ধান্ত হয়, পাঁচ বছর পর পর জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলো এ দিবস পালন করবে।
এ বছর বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান সমিতি সম্মিলিতভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
দিবসটি উপলক্ষে আজ সকাল ৯টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনের সামনে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।
এ ছাড়া পরিসংখ্যান দিবস উপলক্ষে বিকেল ৩টায় পরিসংখ্যান ভবন মিলনায়তনে একটি জাতীয় সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।
বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, আজকাল পরিসংখ্যান কেবল অর্থনীতির পরিমাপক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে না, বরং তা প্রচলিত পরিমাপের সীমানা পেরিয়ে মানুষের আয়ুষ্কাল, রুচি, পছন্দ-অপছন্দ, স্বাচ্ছন্দ্য-সন্তুষ্টি তথা জীবনবোধের মতো বিমূর্ত বিষয়গুলোর মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশগুলোর প্রকৃত অর্থনৈতিক ও সামাজিক চিত্র তুলে ধরতে পরিসংখ্যানের বিকল্প নেই। এ কারণে বাংলাদেশ সরকার পরিসংখ্যান কার্যক্রমকে আধুনিকায়ন করে তা জাতীয় উন্নয়নে ব্যবহারে অত্যন্ত আন্তরিক।
জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়নে পরিসংখ্যান আইন ২০১৩ ও এতদসংক্রান্ত জাতীয় কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে জেনে রাষ্ট্রপতি খুশি হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস পালনের মধ্য দিয়ে দেশের সকল খাতে পরিসংখ্যানের প্রয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিও ত্বরান্বিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এমএইচ





