রাজনৈতিক সিদ্ধান্তহীনতায় কারণে আজ পাকিস্তান ,মায়ানমার, ভারত ও বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের সিমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় ১ কোটি সাধারণ মানুষ রাষ্ট্র্রহীনতা এবং নাগরিকত্বের ঝুঁকিতে পড়েছেন। এসব নিরীহ মানুষ আজ মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে তথ্য পরিবেশন করেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ।

শনিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ইউএনএইচসিআর আয়োজিত ‘আইন আদালত ও মানবাধিকার বিষয়ক রিপোর্টারদের সংগঠন ল’রিপোর্টার্স ফোরামের এক কর্মশালায় এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

ল’রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি আশুতোষ সরকারের সভাপতিত্বে এই কর্মশালায় বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সাংবাদিক কাজী আব্দুল হান্নান, ইউএনইচসিআরের বাংলাদেশের সহকারী প্রটেকশন অফিসার ফাহমিদা করিম, সৌভিক দাস তমাল,ল’রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম প্রমুখ।

কর্মশালায় প্রিন্ট,ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ার ৪০ জন রিপোর্টার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত অংশ নেন। কর্মশালায় ৫ ঘন্টাব্যাপি আলোচনায় বেরিয়ে এসেছে, রাষ্ট্রহীনতা ও নাগরিত্ব হীনতার বিভিন্ন কারণ এবং এর সুষ্ঠু সমাধানে জন্য বিষয়ে সাংবাদিকদেরও কিছু ভূমিকা রাখতে হবে। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

কাজী আব্দুল হান্নান বলেন, কর্মশালায় ছিট মহল বাসী,মিয়ানমার এবং আটকেপরা পাকিস্তানীদের বাংলাদেশে নাগরিকত্ব প্রদানে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক আইনে নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে আইনে বলা আছে।আর আইন সংসদে উপস্থানের আগে রাষ্ট্র্রহীনতা ও রাষ্ট্র্রহীন ব্যক্তিদের আইনি সুরক্ষার অধীনে আনতে মিডিয়া ভালো ভূমিকা পালন করতে পারে। আইনের কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি তুলে ধরা উচিত।

মিস স্টিনা লুংডেল বলেন, রাষ্ট্র্রহীন ব্যক্তিদের সমস্যাগুলো আমরা সচরাচর দেখতে বা শুনতে পাইনা ।তারা নাগরিকত্ব, সার্বভৌমত্ব ও রাস্ট্রীয় অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

গত দশ বছরের মধ্যে রাষ্ট্র্রহীনতা নির্মূল করতে ২০১৪এর নভেম্বরে বিশ্বব্যাপী প্রচারণা শুরু করে ইউএনএইচসিআর । বিদ্যমান পরিস্থিতির সমাধানে এবং নতুন ঘটনার উত্থান প্রতিরোধে জাতিসংঘ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা, সুশীল সমাজ ও রাষ্ট্র্রহীন ব্যক্তিদের সকলেরই সরকারকে সমর্থন দেওয়া উচিত ।

এআই