বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য দিবস আজ মঙ্গলবার। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

এ বছর আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠার ১৫১ বছর পূর্তি হচ্ছে। এ উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে দিনটি বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে পালিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

‘সামজিক উন্নয়নে প্রয়োজন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর বাণিজ্যিক উদ্যোগ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের দিবসটি পালন করা হবে।

এ দিবস পালন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার রোড শো ও র‍্যালি, সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশ ও বুধবার আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ এতে উপস্থিত থাকবেন। এতে সরকারের ডিজিটাল কার্যক্রম তুলে ধরা হবে।

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠান বিটিআরসি, বিটিসিএল, টেলিটক, বাকেশী, বাংলাদেশ ডাক অধিদফতর, মোবাইল অপারেটরসহ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

দিবসটির প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে মহাখালী উত্তরা হয়ে বিআইসিসি পর্যন্ত বর্ণাঢ্য রোডশো’ ও র্যালি করবে বিটিআরসি। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বেতার-টেলিভিশনে টকশো, প্রামাণ্য অনুষ্ঠানসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার ও কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

এ উপলক্ষে অনলাইন রচনা প্রতিযোগিতা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়কসমূহে প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন এবং লিফলেট বিতরণসহ ‘এসএমএস’-এর মাধ্যমে জনগণকে দিবসটি সম্পর্কে অবহিত করা হবে।

দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ হলো ইন্টারনেট, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিকাশের সঙ্গে জনগণকে পরিচিত করা ও সচেতন করে তোলা। যাতে সমগ্র বিশ্ব অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পারে।

উল্লেখ্য, ১৮৬৫ সালের ১৭ মে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা এবং প্রথম আন্তর্জাতিক টেলিগ্রাফ সম্মেলন অনুষ্ঠানের নিদর্শন স্বরূপ ১৯৬৯ সালের ১৭ মে থেকে প্রতি বছর বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস পালিত হয়ে আসছে। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের নভেম্বরে আইটিইউ সম্মেলনে ১৭ মে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য সংঘ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এমই