সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাবো ৬ঘন্টা হলো এখনো মির্জাপুর পৌঁছতে পারিনি, কখন যে পৌঁছবো তাও জানিনা কথা গুলো বলছিলেন সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী আব্দুর রহমান নামের এক যাত্রী।
শুক্রবার সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পার্শ্ব হতে গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছে হাজার হাজার ঢাকা মুখি যাত্রীরা।
দিনব্যাপী যানজট থাকলেও দুপুরের পর থেকে এর আকার ভয়াবহ রূপ নেয়। ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষের চাপ বেশি থাকায় রাস্তায় পরিবহনও বেশি।
সরেজমিনে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা যায়, মির্জাপুরের গোড়াই, ধেরুয়া রেলক্রসিং, পাকুল্যা,দেলদুয়ারের নাটিয়াপাড়া, টাঙ্গাইলের বাসাইলে যানবাহনের তীব্র চাপ রয়েছে। এইসব পয়েন্টে ঢাকামুখী যানবাহন কিছুটা বন্ধ থাকলেও ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে।
এর আগে গত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মহাসড়কের নাটিয়াপাড়া এলাকায় কয়েকটি ট্রাক ও হালকা যানবাহন এলোপাথাড়ি গাড়ি চালালে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে আইনশৃক্সখলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় সকাল ৬টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এরপর থেকেই মহাসড়কে এই যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
রংপুর থেকে আসা হানিফ পরিবহনের অপর যাত্রী ফারুক হোসেন জানান, 'ভাই রংপুর থেকে ঢাকায় পৌছতে স্বাভাবিক সময়ে ৬ ঘন্টা লাগে এখন প্রায় ১০ ঘন্টা হচ্ছে তাও এখনো গাজিপুর পৌছতে পারিনি।'
বাহন পরিবহনের ড্রাইভার শফিক বলেন, 'এমনিতেই যাত্রীর চাপ গাড়িও বেশি তার মধ্যে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে যার কারণে গাড়িও ধিরে চলছে।'
গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে পুলিশ রেকার দিয়ে বিকল হওয়া ট্রাক সরানোর উদ্যোগ নিয়েছে। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যানজটের কোন পরিবর্তন ঘটেনি।
এআই





