পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিন’।

আজ সোমবার (১২ জুন) ২৯ জৈষ্ঠ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ। ২২ জিলক্বদ ১৪৪৪ হিজরী।

এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলী :

১৪৪২ - রাজা পঞ্চম আলফনসো নেপলস দখল করেন।

১৫৪০ - জুন দক্ষিণ আমেরিকার পুর্বাঞ্চলীয় দেশ চিলি স্পেনীয় উপনিবেশবাদীদের দখলে চলে যায়।

১৫৫০ - সুইডেনের রাজা প্রথম গুস্তাভ কর্তৃক ফিনল্যান্ডের (তৎকালীন সুইডেনের) হেলসিঙ্কি শহরটির গোড়পত্তন ঘটে।

১৬৩৯ - ফ্রান্সের নুরমান্দি প্রদেশের দরিদ্র লোকজন আন্দোলন শুরু করে।

১৬৬৫ - নিউ আমস্টারডামের নাম বদলে নিউ ইয়র্ক রাখা হয়।

১৭১৪ - প্রুশিয়া ও রাশিয়া গোপন চুক্তি করে।

১৮৩৭ - উইলিয়াম কুক ও চার্লস হুইটস্টোন সর্বপ্রথম বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ পেটেন্ট করেন।

১৮৩৯ - আমেরিকায় প্রথম বেসবল খেলা হয়।

১৮৬০ - রুশ সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অফ রুশিয়ান এ্যাম্পায়ার প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৬৭ - অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য গঠিত হয়।

১৮৯৮ - ফিলিপাইন স্বাধীন হয়।

১৯৪৪ - বিশ্বের প্রথম ধরনের ভি-১ ক্ষেপণাস্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।

১৯৬৪ - রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে সাতজন সংগ্রামীসহ দক্ষিণ আফ্রিকার মুক্তি আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

১৯৭৬ - উরুগুয়েতে সামরিক অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট জুয়ান বর্দাবেরি ক্ষমতাচ্যুত।

১৯৭৮ - বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট পদে জিয়াউর রহমানের শপথগ্রহণ।

১৯৮২ - পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের হাজার হাজার লোক রাস্তায় বের হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

১৯৯০ - বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংবিধানের দশম সংশোধনী গৃহীত হয়।

১৯৯১ - বেআইনি অস্ত্র রাখার দায়ে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।

১৯৯১ - রাশিয়া ফেডারেশনের প্রথম সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ - বরিস ইয়েলেৎসিন রাশিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৯৩ - কম্বোডিয়া বিভক্ত হয়ে আলাদা রাষ্ট্র সাম্বেডিয়ার জন্ম।

১৯৯৬ - বাংলাদেশের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৬ - বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক সংগঠন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক কল্পনা চাকমা অপহৃত হন।

১৯৯৮ - পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর অপরাধে পাকিস্তান ও ভারতকে বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলোর ঋণদানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ।

২০০২ - আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থার (আইএলও) উদ্যোগে প্রথম বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসটি পালিত হয়।

২০০৭ - ফিলিস্তিনের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল হানিয়ার গাজার বাসভবনে অস্ত্রধারীরা রকেট চালিত গ্রেনেড হামলা চালায়।

জন্মদিন :

১১০৭ - চীনের সম্রাট গাওজঙ।

১৮১৯ - চার্লস কিংসলে (লেখক), ইংল্যান্ডের পাদ্রি, বিশ্ববিদ্যালয়য়ের অধ্যাপক এবং বিখ্যাত ইতিহাসবিদ ও লেখক। (মৃ. ১৮৭৫)

১৮৬০ - স্যার আশুতোষ চৌধুরী, বাংলার যশস্বী আইনজীবী, শিক্ষব্রতী। (মৃ.২৪/০৫/১৯০৫)

১৮৬১ - উইলিয়াম অ্যাটওয়েল, ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার। (মৃ. ১৯২৭)

১৮৭১ - হেমচন্দ্র কানুনগো, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী। (মৃ.০৮/০৪/১৯৫১)

১৮৭৩ - লুসিলা গামেরো ডে মেডিনা, হন্ডুরীয় ঔপন্যাসিক। (মৃ. ১৯৬৪)

১৮৮৩ - রবার্ট লোভি, অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নৃবিজ্ঞানী। (মৃ. ১৯৫৭)

১৯২২ - মারগেরিতা হ্যাক, ইতালিয় জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী এবং জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখিকা। (মৃ. ২০১৩)

১৯২৪ - জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম রাষ্ট্রপতি।

১৯২৯ - আন ফ্রাংক, জার্মান নাৎসি বাহিনীর হাতে নিহত ও দ্য ডায়েরি অফ আ ইয়াং গার্লখ্যাত কিশোরী।

১৯২৯ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাজি বর্বরতার শিকার দিনলিপি লেখিকা আনা ফ্রাংকের জন্ম।

১৯৩৫ - ইয়ান ক্রেগ, অস্ট্রেলীয় সাবেক ক্রিকেটার। (মৃ. ২০১৪)

১৯৩৯ - জিওফ গ্রিফিন, দক্ষিণ আফ্রিকান সাবেক ক্রিকেটার। (মৃ. ২০০৬)

১৯৫৬ - টেরি অল্ডারম্যান, অস্ট্রেলীয় সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৫৭ - জাভেদ মিয়াঁদাদ, পাকিস্তানি সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৫৯ - জালালউদ্দিন, পাকিস্তানি সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৬১ - রড ল্যাথাম, নিউজিল্যান্ডীয় সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৬৪ - আমেরিকান অভিনেত্রী পাওলা মার্শাল এর জন্ম।

১৯৭৬ - রে প্রাইস, জিম্বাবুয়ের সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৭৯ - দিয়েগো মিলিতো, আর্জেন্টিনীয় সাবেক ফুটবলার।

১৯৮৪ - ক্রিস আমিনি, পাপুয়া নিউগিনির ক্রিকেটার।

১৯৮৮ - তানভীর আফজাল, হংকংয়ের ক্রিকেটার।

১৯৯২ - ফিলিপি কৌতিনিউ, ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

মৃত্যুবার্ষিকী :

৭৯৬ - প্রথম হিশাম (কর্ডোবা), কর্ডোবার আমির। (মৃ. ৭৫৭)

১১৪৪ - আল যামাখশারী, পার্সিয়ান বংশোদ্ভুত মধ্যযুগীয় মুসলিম পণ্ডিত। (মৃ. ১০৭৫)

১৭৫৯ - উইলিয়াম কলিন্স, ইংরেজ কবি।

১৮৯৭ - ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি। (জ.১৮৫৬)

১৯০৪ - যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ, ভারতের বাঙালি সংস্কৃত পণ্ডিত, চিন্তাবিদ ও সাংবাদিক। (জ. ১৮৪৫)

১৯১২ - ফ্রেদেরিক পাসি, ফরাসি অর্থনীতিবিদ এবং শান্তিকর্মী। (জ. ১৮২২)

১৯১৪ - প্রখ্যাত সমাজসেবী, দানবীর ও ঔষধ ব্যবসায়ী বটকৃষ্ণ পাল। (জ.১৮৩৫)

১৯৭২ - প্রগতিবাদী মারাঠী সাহিত্যিক ডি.ডি তেন্ডুলকার।

১৯৮৩ - নর্মা শিয়েরার, কানাডীয়-মার্কিন অভিনেত্রী। (জ. ১৯০২)

১৯৮৬ - অমিয় চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, গীতিকার এবং সুরকার। (জ.১০/০৪/ ১৯০১)

১৯৯৩ - হাসিরাশি দেবী, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও লেখিকা। (জ. ১৯১১)
বিনয়রঞ্জন সেন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থায় প্রথম ভারতীয় বাঙালি পরিচালন অধিকর্তা। (জ.০১/০১/১৮৯৮)

২০০৩ - গ্রেগরি পেক, মার্কিন অভিনেতা। (জ. ১৯১৬)

২০০৩ - রোমেনা আফাজ, বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক। (জ. ১৯২৬)

২০১২ - এলিনর অস্ট্রম, মার্কিন অর্থনীতিবিদ। (জ. ১৯৩৩)

২০১৪ - শক্তিপদ রাজগুরু, একজন ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। (জ. ১৯১২)

২০১৭ - চার্লস পি. থ্যাকার, মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী। (জ. ১৯৪৩)

২০১৯ - সিলভিয়া মাইলস, মার্কিন অভিনেত্রী। (জ. ১৯২৪)

দিবস :

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস

শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে বিশ্ব দিবস, যা প্রতিবছর ১২ জুন শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী আন্দোলনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ও পালিত হয়। শিশুরা জাতির ভবিষ্যৎ।বিশ্বের প্রতিটি শিশু যাতে ভালো ভাবে বেড়ে ওঠে সেটা দেখা সব দেশের কর্তব্য। শিশুদের ওপর শারীরিক পরিশ্রম চাপিয়ে দিলে তার দেহ ও মন সুগঠিত হয় না। বিশ্বের প্রতিটি শিশু শ্রম ছেড়ে দিয়ে বিদ্যালয়মুখী হোক, এটাই হোক আমাদের আজকের দিনের অঙ্গীকার।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) মতে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৫২ মিলিয়ন শিশু শিশুশ্রমে নিয়োজিত, যাদের মধ্যে ৭২ মিলিয়ন বিপজ্জনক কাজে রয়েছে। ২০০০ সাল থেকে শিশুশ্রমে শিশুর সংখ্যা ৪ মিলিয়ন হ্রাস পেয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই হ্রাসের হার দুই-তৃতীয়াংশ।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), জাতিসংঘের সংস্থা যা কাজের জগতকে নিয়ন্ত্রণ করে, শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রচেষ্টায় সকলের মনোযোগ আনতে এবং সকলের অংশগ্রহনের জন্য ২০০২ সালে শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে বিশ্ব দিবস চালু করে। দিনটি সরকার, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, সুশীল সমাজ এবং আন্তর্জাতিক, শ্রমিক এবং নিয়োগকারী সংস্থাগুলিকে একত্রিত করে শিশুশ্রমের সমস্যা চিহ্নিত করে এবং শিশুশ্রমিকদের সাহায্য করার জন্য নির্দেশিকা নির্ধারণ করে।

আইএলও এর তথ্য অনুসারে, সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ মেয়ে এবং ছেলে এমন কাজে জড়িত যা তাদের পর্যাপ্ত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবসর এবং মৌলিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করে, এভাবে তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়। এই শিশুদের মধ্যে, অর্ধেকেরও বেশি শিশুশ্রমের নিকৃষ্ট রূপের মুখোমুখি হয়। শিশুশ্রমের এ নিকৃষ্ট রূপগুলির মধ্যে রয়েছে বিপজ্জনক পরিবেশে কাজ, দাসত্ব, বা অন্য ধরনের জোরপূর্বক শ্রম, মাদক পাচার এবং পতিতাবৃত্তির মতো অবৈধ কার্যকলাপ, পাশাপাশি সশস্ত্র সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়াও রয়েছে।

শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে বিশ্ব দিবসের থিম ২০২০ জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে, শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে বিশ্ব দিবস ২০২০ শিশুশ্রমের উপর সংকটের প্রভাবকে কেন্দ্র করে। কোভিড -১৯ মহামারী এবং পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা এবং শ্রম বাজারের ধাক্কা অনেকের জীবন ও জীবিকার উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। এ সংকট লক্ষ লক্ষ দুর্বল শিশুকে শিশুশ্রমের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে বিশ্ব দিবসের তাৎপর্য হলো শিশুশ্রমের সমস্যার দিকে মনোযোগ দেওয়া এবং তা নির্মূলের উপায় খুঁজে বের করা। সারা বিশ্বে শিশুশ্রমের জন্য বাধ্য করা শিশুদের দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতিকর মানসিক ও শারীরিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে বিশ্বের বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংগঠন কর্তৃক দিনটির গুরুত্ব ও তাপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন সভা ও সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়।

আজ সোমবার (১২ জুন) বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘শিশুর শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করি, শিশুশ্রম বন্ধ করি’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে দিবসটি পালন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ দিবস পালন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং ইউনিসেফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশকে সব ধরনের শিশুশ্রম থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২১-২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘জাতীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ’ কাজ করছে।

এ লক্ষ্যে সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের পুনর্বাসন এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর বিকাশ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশ জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বিষয়ক আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শিশুশ্রম সমীক্ষা-২০০৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশে শ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ৩২ লাখ। ২০২৩ সালে সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে শিশুশ্রম সমীক্ষা অনুযায়ী শ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা হ্রাস পেয়ে ১৭ লক্ষে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন গণমাধ্যম দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে অনুষ্ঠান, টিভিসি প্রচার করবে। সারা দেশে কলকারখানা ও শ্রমঘন এলাকায় ব্যানার ফেস্টুন পোস্টার টাঙ্গানো হবে এবং শিশুশ্রম নিরসনে সচেতননামূলক লিফলেট বিতরণ করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন শিল্প এলাকার কলকারখানায় শিশুশ্রম নিরুৎসাহিত করতে বিশেষ পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের উন্নয়ন ও বিকাশে শিশু আইন প্রণয়ন ও প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন। তিনি সংবিধানে শিশু অধিকার সমুন্নত রাখেন। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার শিশুশ্রম-নিরসনের লক্ষ্যে ‘জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০’ প্রণয়ন করেছে।

সেই সাথে শিশুদের উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় শিশু নীতি-২০১১’, ‘শিশু আইন-২০১৩’, ‘বাল্যবিবাহ বিরোধ আইন-২০১৭’ এবং গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষায় ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

এন