শ্রেষ্ঠাংশে: গ্ল্যামারাস মরিচ, রসুন, হলুদ ও সুপারস্টার পেঁয়াজ
দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পর পেঁয়াজকে প্রপোজ করে মরিচ, পেঁয়াজ তা ফিরিয়ে দেয়।
মরিচ: দ্যাখো পেঁয়াজ, তোমার আছে ঝাঁজ, আমার আছে ঝাল, মিলেমিশে থাকব চিরকাল!
পেঁয়াজ: সরি ভাইয়া, আমার দাম জানো? আরে বামন হয়ে চাঁদে হাত বাড়াচ্ছ কেন। যত্ত সব ছোটলোক কোথাকার!
ভুনা করে মাংস রান্না করতে কিংবা ঘন মাছের ঝোলের জন্য একটু বেশি করে পেঁয়াজ না দিলেই যেন নয়। শুধু দেশী খাবার নয়, বার্গার, পিজা, স্যান্ডুইচও পেঁয়াজ ছাড়া স্বাদহীন।
কিন্তু তরকারিতে বেশি করে পেঁয়াজ দিতে গিয়ে রাঁধুনির খেতে হয় হিমশিম। কারণ, পেয়াজের ঝাঁজ! নাকের পানি, চোখের পানি এক হয়ে যায় পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে।
পেঁয়াজে থাকে সিন-প্রোপেনেথিয়াল এস-অক্সাইড নামের একটি গ্যাস। এই পদার্থ বাতাসের মাধ্যমে চোখের সংস্পর্শে আসে। এরপর চোখের পানির সঙ্গে বিক্রিয়া করে অশ্রু গ্রন্থিতে অস্বস্তি তৈরি করে।
ফলে চোখ বেয়ে পানি পড়ে ও জ্বালাপোড়া হয়। এছাড়াও ল্যাক্রিমাটরি-ফ্যাক্টর সিনথেজ নামের একটি এনজাইমও কাঁদানোর জন্য দায়ী।
এই ঝাঁজ থেকে বাঁচতে পেঁয়াজ খাওয়া বন্ধ করে দিবেন? তা তো কখনোই সম্ভব না। কিছু উপায়ে এই ঝাঁজ থেকে এড়ানো সম্ভব। এক বাটি পানিতে পেঁয়াজ ডুবিয়ে রেখে কাটুন।
পানির নিচে থাকায় সিন-প্রোপেনেথিয়াল এস-অক্সাইড চোখের সংস্পর্শে এসে বিক্রিয়া করতে পারবে না। তাই কাঁদতেও হবে না।-মেডিকেল নিউজ টুডে





