আজ ১৭ই মার্চ । স্বাধীন বাংলার স্থপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী। একই সঙ্গে সরকারিভাবে দিবসটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হবে। আজ সরকারি ছুটির দিন।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি সংগঠন সভা, সেমিনার, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

জাতীয় শিশু দিবস ২০১৬ উদযাপন উপলক্ষে স্যুভেনির প্রকাশ ও পোস্টার ছাপানো হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়, ডিএফপি ও পিআইডির উদ্যোগে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় দৈনিকগুলো ক্রোড়পত্র প্রকাশ এবং বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য চ্যানেল ও মিডিয়ায় বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হচ্ছে।

সারা দেশে জেলা ও উপজেলা সদরে দিবসটি উপলক্ষে শিশু সমাবেশ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।

জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শিশুর স্বাস্থ্য সচেতনতা, পুষ্টি ও খাদ্য সম্পর্কে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে পুষ্টি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও বিনোদনের কোন বিকল্প নেই। সরকার জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী শিশু অধিকার সংরক্ষণ, শিশুর জীবন ও জীবিকা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ প্রদান, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনাসহ শিশু নির্যাতন বন্ধ, বিশেষ করে কন্যাশিশুদের বৈষম্য বিলোপ সাধনে বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর পাশাপাশি ‘জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০’ ও ‘জাতীয় শিশু নীতি-২০১১’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচি ও নীতিমালা শিশুর শারীরিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বানীতে বিএনএস গ্রুপ ও বিএনএস মাল্টিমিডিয়ার চেয়ারম্যান শিল্পপতি এম.এন.এইচ বুলু বলেন, শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশের লক্ষ্যে মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে শৈশব থেকেই দেশপ্রেম ও মানবিক গুণাবলীর উন্মেষ ঘটাতে হবে । আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ ।

তারাই ভবিষ্যতে বিশ্ব পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এজন্য তাদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। 

ওএফ