বাংলাদেশি তিন শিক্ষার্থীর একটি দল ‘স্টকহোম জুনিয়র ওয়াটার প্রাইজ’ প্রতিযোগিতায় ‘ডিপ্লোমা অব এক্সিলেন্স’ পুরস্কার পেয়েছে।

প্রতিনিধিদলের তিনজন সদস্য হলো ঢাকার মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ছাত্র অনিরুদ্ধ চৌধুরী, অর্ণব চক্রবর্তী ও ঋতুরাজ দাসগুপ্ত।

পানি নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়াটার এইডের এক বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পাওয়া ‘ডিপ্লোমা অব এক্সিলেন্স’ পুরস্কারটি এ প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় পুরস্কার। এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই শিক্ষার্থী রায়ান থর্প ও রিচেল চ্যাং।

পানিসংক্রান্ত টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে সারা বিশ্বের তরুণ শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারে। এ বছর সারা বিশ্বের ১০ হাজারে বেশি প্রতিযোগী নিজ নিজ দেশে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয় ৩৩ দেশের প্রতিযোগী। সুইডেনের স্টকহোমে বিশ্ব পানি সপ্তাহ উপলক্ষে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

স্টকহোম জুনিয়র ওয়াটার প্রাইজের পৃষ্ঠপোষক সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টোরিয়া। প্রকল্পে বাংলাদেশি ছাত্ররা শিল্প-কারখানার ক্ষতিকর বর্জ্য শোধন এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব কাটিয়ে ওঠার উপায় তুলে ধরেছে। এ কাজে ছাত্ররা টাইটেনিয়াম ডাই অক্সাইডের সঙ্গে ফটোক্যাটালিস্টের মাধ্যমে শিল্পবর্জ্যের দূষণমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশি ছাত্ররা যে উদ্ভাবনী চিন্তার প্রকাশ ঘটিয়েছে, তা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। প্রকল্প সম্পর্কে জুরিবোর্ডের সদস্যরা বলেছেন, ‘প্রচলিত কিছু প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে তারা যেভাবে উদ্ভাবনী চিন্তা, দক্ষতা ও নতুন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে এবং যেভাবে শিল্প-কারখানার ক্ষতিকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কথা বলেছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।’বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এ প্রকল্পতে সামগ্রিক সহায়তা করেছে হাউস অব ভলান্টিয়ার্স, বুয়েট এবং ওয়াটারএইড।

এএইচ