মিশরের মতো লিবিয়াতেও সামরিক অভ্যুত্থান করার চেষ্টা চলছে বলে খবর ফাঁস হয়েছে। মিশরের মতো লিবিয়ার বিপ্লবকেও ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। বিপ্লব ছিনিয়ে নেয়ার এই কাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাত আর মিশর যৌথভাবে করছে বলেও জানা গেছে। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত হচ্ছে আরব বসন্তের অন্যতম বিরোধিতাকারী দেশ।
সোমবার লিবিয়ার 'রেভ্যুলুশনারিস অপারেশন্স রুম' (আরওআর)-এর বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট মনিটর। আর মিডল ইস্ট মনিটরের ঊধ্বৃতি দিয়ে ওয়ার্ল্ডবুলেটিন খবরটি জানিয়েছে।
লিবিয়ার আরওআর জানিয়েছে, আরব আমিরাত আর মিশরের যৌথ এ কর্মকাণ্ডের ডকুমেন্ট তারা খুঁজে পেয়েছেন। এসব ডকুমেন্ট থেকেই জানা গেছে সামরিক অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টার খবর।
সামরিক অভ্যুত্থানকে সফল করতে উচ্চ পর্যায়ের দুটি সেল গঠন করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর মধ্যে একটি গঠন করা হয়েছে লিবিয়ায় বর্তমান ক্ষমতাসীন লিবিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস সরকারের পতন ঘটাতে এবং ক্রম উদীয়মান ইসলামপন্থীদেরকে দমন করতে। মিডিয়া সেল নামে আরেকটি সেল গঠন করা হয়েছে, যার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে জর্ডানের রাজধানী আম্মান থেকে।
মিডিয়া সেলের কাজ হচ্ছে নিরাপত্তা সেলের পক্ষে সংবাদ পরিবেশন করা। তাছাড়া, ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করা, কেননা ইসলামপন্থীরা লিবিয়ায় দিন দিন জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
এই দুটি সেল ২০১৩ সালের ২৬ জানুয়ারিতে গঠন করা হয় বলেও জানিয়েছে আরওআর। এর অর্থায়ন করে থাকে আরব আমিরাত।
আমিরাতের গঠন করা এই নিরাপত্তা সেলই গত বছর আনাস আল লিবিকে বেনগাজী থেকে অপহরণ করে আমেরিকার সিআইএ'র হাতে তুলে দেয় বলে জানা গেছে।
এই নিরাপত্তা সেলের নেতৃত্বে আছেন শেখ তাহনুন বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান। এর সদস্যদের মধ্যে আছে লিবিয়ার বিপ্লব বিরোধী কয়েকজন। এর মধ্যে আল সাদি আল গাদ্দাফির নাম উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া, মিশরের অভ্যুত্থানকারী সেনা প্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখেন এরকম একজনও রয়েছেন।
সিকিউরিটি সেলটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবী থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। আমিরাতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সাথে প্রায়ই বৈঠক করে থাকে এ সেল। সূত্র: ওয়ার্ল্ডবুলেটিন
[b]ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ [/b]
টাইম ফোকাস
লিবিয়াতেও সামরিক অভ্যুত্থানের পাঁয়তারা
মিশরের মতো লিবিয়াতেও সামরিক অভ্যুত্থান করার চেষ্টা চলছে বলে খবর ফাঁস হয়েছে। মিশরের মতো লিবিয়ার বিপ্লবকেও ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। বিপ্লব ছিনিয়ে নেয়ার এই কাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাত আর মিশর যৌথভাবে করছে বলেও জানা গেছে। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত হচ্ছে আরব বসন্তের অন্যতম বিরোধিতাকারী দেশ।





