বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান মামলাগুলোর রায় ঘোষণা করেন।
১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের মার্চে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মতিঝিল থানায় এসব মামলা করে। চারদলীয় জোট সরকারের সময় সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি সাজানো দরপত্রের মাধ্যমে অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রির অভিযোগে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়।
ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর মামলাগুলোর অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সেখানে বলা হয়, সাজানো দরপত্রের মাধ্যমে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কম দামে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি করে আসামিরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। এতে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। পরে অভিযোগপত্রে আরও ১৪ জনের নাম যুক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে মির্জা আব্বাসসহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, গুলশান, ধানমণ্ডি ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থাকা ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে দরপত্র প্রক্রিয়ায় কারসাজি করা হয়। অপেক্ষাকৃত বেশি দর থাকা সত্ত্বেও তা বিবেচনায় না নিয়ে কম মূল্যের দরপত্রের ভিত্তিতে বাড়িগুলো বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মির্জা আব্বাসসহ অন্য আসামিরা লাভবান হন এবং সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়।
মামলাগুলোতে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
এনএইচ