শুক্রবার (১৯ জুন) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে অস্ত্র আইনের মামলায় ৭ দিন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আরও ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান অস্ত্র মামলায় ৪ দিন ও মাদক মামলায় এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে পাঠানো অন্য তিন আসামি হলেন বাপ্পী, হানিফ ও মোছা. শামসুন্নাহার।

গেন্ডারিয়া থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা ও পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মশিউর রহমান সোহান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ সজল ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, হেরোইন এবং নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সজল পুলিশকে জানান, স্বামীবাগ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় তিনি অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ করে রেখেছেন। পরে ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুটি পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন, ৭৭ রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন, হেরোইন প্রস্তুতে ব্যবহৃত ৮৭ গ্রাম ‘মেডি’, মাদক বিক্রির ২২ হাজার ৯৬০ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

পুলিশের দাবি, সজল দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র সরবরাহ ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তিনি পেশায় একটি পরিবহনের হেলপার হলেও গোপনে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।

এ ঘটনায় গেন্ডারিয়া থানায় অস্ত্র আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। মামলাগুলোর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এমএম