অভিযোগকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী ইসলামী ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ব্যাংকের ট্রেনিং একাডেমিতে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন, শাখা পর্যায় থেকে দুদকে অভিযোগ করার সুযোগ নেই। ঋণের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হলে আদালতে যাওয়ার নিয়ম রয়েছে। আদালত প্রয়োজন মনে করলে অধিকতর তদন্তের জন্য বিষয়টি দুদকে পাঠাতে পারেন।

তিনি বলেন, দুদকের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ব্যাংকের আলাদা বিভাগ রয়েছে। শাখার একজন কর্মকর্তা কেন সরাসরি দুদকে অভিযোগ জমা দিয়েছেন, তা পরিষ্কার নয়। এ বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তের জন্য ইয়াসীন আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক এ ঘটনায় আদালতের শরণাপন্ন হবে।

তবে ইসলামী ব্যাংকের নথি বিশ্লেষণে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। গত ২৬ জুলাইয়ের সিদ্ধান্তের পর মোহাম্মদ ইয়াসীন আলীকে সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্যালাক্সি সোয়েটার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুদকে দুর্নীতির অভিযোগ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

২৭ জুলাই জারি করা চিঠিতে শাখা ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে ইয়াসীন আলীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া হয়।

ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, সাইফুল আলমসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য দুদকে অভিযোগ করেছিলেন ইয়াসীন আলী।

নথি অনুযায়ী, জে এম সি বিল্ডার্স লিমিটেডের প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক হন সাহাবুদ্দিন। পরে তিনি ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যানও হন। ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তিনি পরিচালকের পদ ছাড়েন।

নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৮ জুন থেকে ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।

এস