উদ্ধার হওয়া দুজন হলেন প্রকল্পটির যান্ত্রিক বিভাগের ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ ও সুপারভাইজার কবির মহার্জন। শুক্রবার এ তথ্য জানান রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (আরএসপি) আইনপ্রণেতা ও প্রকৌশলী শ্রী রাম নেউপানে। বন্যার পর ২৬ আগস্ট থেকে তিনি উদ্ধার কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
নেউপানে জানান, শুক্রবার প্রথমে সঞ্জয় সাহকে টানেল থেকে বের করে আনা হয়। পরে উদ্ধার করা হয় কবির মহার্জনকে। তাদের উদ্ধারের পর টানেলের ভেতরে আরও মানুষের সন্ধানে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে টানেলের ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর পাওয়ার পর উদ্ধার কার্যক্রমে নতুন আশার সঞ্চার হয়। উদ্ধারকারীরা আটকে পড়া ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও সক্ষম হন।
নেউপানে জানান, উদ্ধারকারী দল টানেলের ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের উদ্দেশে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানায়। পরে ভেতর থেকে তাদের সাড়া পাওয়া যায়। এরপর সেখানে একাধিক ব্যক্তি আটকে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর উদ্ধার অভিযান আরও জোরদার করা হয়।
টানেলের ভেতরে পৌঁছাতে নেপালি সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও সম্ভাব্য জীবিতদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত ২৬ আগস্ট আকস্মিক বন্যায় ত্রিশূলী নদীর উপত্যকার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা।
বন্যার পর থেকেই দুর্গম এলাকাগুলোতে টানেলসহ বিভিন্ন স্থাপনায় আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। দুইজনকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় অন্যদেরও দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট
এস