মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টায় ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য সম্প্রচার বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর এএনআইয়ের।
বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, পাকিস্তানে এবং পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের ৯টি জায়গার পরিকাঠামো লক্ষ্য করে ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক’ করা হয়েছে। যে সব জায়গায় বসে ভারতে সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা হয়েছিল এবং নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই ভারত হামলা চালিয়েছে।
পরে বুধবার সকালে ভারতীয় সেনাবাহিনী জানায়, কাশ্মীরে পাকিস্তানি সেনাদের গোলার আঘাতে তিনজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
এদিকে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সম্প্রচারমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় ধুনদিয়াল সেক্টরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি ব্রিগেডের সদরদপ্তর গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতেই পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের অন্তত পাঁচটি জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহতের পর দুই দেশের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ হামলা হয়।
পাকিস্তানের আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেন, কোটলি, ভাওয়ালপুর ও মুজাফ্ফরাবাদে ‘কাপুরুষোচিত’ এ হামলা চালিয়েছে ভারত।
ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই শিশুসহ আটজন নিহত হয়েছেন বলে পাকিস্তানের আইএসপিআরের মহাপরিচালক বিবিসিকে জানিয়েছেন।
এনএইচ