ফিলিস্তিনি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাসের অধিকাংশ গোপন কার্যক্রম তুরস্কে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে কাতার আগের মতোই সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে থাকবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাতারের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো হামাসের নেতাদের চলাফেরার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এখন কাতারের ভেতরে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক করতে হলে তাদের আগাম অনুমতি নিতে হচ্ছে।

এ পদক্ষেপের পেছনে হামাসের নতুন নেতা হিসেবে খলিল আল-হাইয়াকে নির্বাচনের বিষয়টি কাজ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। কাতার এ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট ছিল না। কিন্তু মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে।

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার খালেদ মাশালকে সমর্থন করেছিল, কারণ তার সঙ্গে দোহার সম্পর্ক আল-হাইয়ার তুলনায় ঘনিষ্ঠ ছিল।

ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ চলাকালে হামাসের প্রধান আলোচক ছিলেন আল-হাইয়া। গত ২০ জুলাই হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি নিহত ইয়াহইয়া সিনওয়ারের স্থলাভিষিক্ত হন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর থেকে পদটি শূন্য ছিল এবং ওই সময় হামাস একটি যৌথ নেতৃত্ব কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

আল-হাইয়া দীর্ঘদিন ধরে আরব ও ইসলামি দেশগুলোর সঙ্গে হামাসের সম্পর্ক সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তিনি হামাসের তৎকালীন নেতা ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে তেহরান সফর করেন। ওই সফরের সময়ই হানিয়া নিহত হন।

নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর গত সপ্তাহে আল-হাইয়া তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান-এর সঙ্গে প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদলু এজেন্সির তথ্যমতে, ওই বৈঠকে হাকান ফিদান ফিলিস্তিনিদের ‘ন্যায্য অধিকার’ এর প্রতি তুরস্কের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সব ক্ষেত্রেই এ সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

এনএইচ