এই দাবিতে রাঁচির জয়পাল সিংমুণ্ডা স্টেডিয়ামে অনির্দিষ্ট কালের অনশন শুরু করেছেন ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো। এই আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তার পরেই আরো জোরদার হয়েছে বিক্ষোভ।
প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং প্রশাসনিক গাফিলতির মতো যেসব ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, তার জের ধরেই এই বিক্ষোভের সূত্রপাত। শিক্ষার্থীদের মতে, এসব ঘটনা বারবার তাদের কেরিয়ারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময় দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো জানান, গত মাসে ১৪ তম জেপিএসসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরই এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। বার্তা সংবাদ এএনআইকে তিনি বলেন, 'ঠিক এক মাস আগে, ১৪ তম প্রিলিমিনারি টেস্টের (পিটি) ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়েই এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। আমরা ৫ জুলাই এই আন্দোলন শুরু করেছিলাম, ৭ জুলাই রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছিলাম ও ৮ জুলাই কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়। এরপর ২০ জুলাই আমরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে প্রমাণ জমা দেই, যার ফলে সরকারি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।’
দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো অভিযোগ করেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ সত্ত্বেও সরকার ও ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (জেপিএসসি) শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের বিষয়টি যথাযথভাবে সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে।
সাংবাদিকদের দেবেন্দ্র জানান, মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কাছে পেশ করা দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার অনশন চালিয়ে যাবেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
এমএম