জানা গেছে, ইফতারে ছিল ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, জিলাপি, বেগুনি, মরিচ্যা, শরবতসহ আনুষঙ্গিক বিভিন্ন খাবার। এ সময় তিনি পাঞ্জাবি পরে ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

এর আগে দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিদর্শন করেন আন্তোনিও গুতেরেস। সেখানে তিনি রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীদের কথা শোনেন, বলেন এবং ক্যাম্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে বিমানের একই ফ্লাইটে কক্সবাজার যান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, আন্তোনিও গুতেরেস কক্সবাজার বিমানবন্দরে নামার পর বেশ কিছু অনুষ্ঠানিকতা শেষ করে উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের উদ্দেশে রওনা দেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- রোহিঙ্গাদের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং পাটজাত পণ্যের উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন। এসব অনুষ্ঠান শেষ করার পর জাতিসংঘ মহাসচিব উখিয়ায় প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে ইফতার করবেন। পরিদর্শন ও ইফতার শেষে সন্ধ্যায় একসঙ্গে ঢাকায় ফিরবেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব।

শুক্রবার (১৪ মার্চ) দুপুর ১২টা ৪৮ মিনিটের দিকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি চার্টার্ড ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এনএইচ