শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, শোভাযাত্রা চলাকালে নির্ধারিত রুটে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। একই সঙ্গে উচ্চস্বরে পিএ বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার থেকেও বিরত থাকতে হবে।
শোভাযাত্রায় অংশ নিতে আগ্রহীদের শুরুতেই এতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। মাঝপথে শোভাযাত্রায় প্রবেশ না করার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারী তরল, দিয়াশলাই ও গ্যাসলাইটারসহ কোনো ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না।
এ ছাড়া শোভাযাত্রার রুটে কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া এবং রাস্তায় অযথা দাঁড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা নিষেধ করা হয়েছে।
ডিএমপির নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শোভাযাত্রার আশপাশে সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তু নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ পুলিশকে জানাতে হবে। অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতা করার জন্যও নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।
শোভাযাত্রার নির্ধারিত রুট হলো—শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপশাহ মাজার, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড ও রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক।
শোভাযাত্রা চলাকালে নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়ক ব্যবহার করার অনুরোধ করা হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে জন্মাষ্টমী উদযাপন নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা চেয়েছে ডিএমপি।
এস